পাউবো’র অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে কৃষকদের ক্ষতিপূরণ ও জড়িতদের শাস্তির দাবিতে গণ-সমাবেশ

হাওর রক্ষা বাঁধে অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে কৃষকদের যে ক্ষতি হয়েছে, সেই কৃষকদের ক্ষতিপূরণ এবং অনিয়মে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে গণ-সমাবেশ কর্মসূচি পালন করেছে হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ বাজারের সামনে এ গণ-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের বিশ্বম্ভপুর উপজেলার আহ্বায়ক নুরুল আলম সাগরের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব এমদাদুল হক মিলনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন খরচার হাওরের কৃষক মতিউর রহমান, রতিশ দেবনাথ, আঙ্গারুলী হাওরের কৃষক আব্দুল মতিন, আব্দুস সালাম। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের জেলা কমিটির সভাপতি মো. রাজু আহমেদ, সহ সভাপতি ওবায়দুল মুন্সী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওবায়দুল হক মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান হাসান, দপ্তর সম্পাদক আফজাল হোসেন, সদস্য মতিউর রহমান।
উপজেলা কমিটির মধ্যে বক্তব্য রাখেন আতাউর রহমান টিপু, বিল্লাল হোসেন, আবুল কাশেম, তৌহিদুল ইসলাম, আব্দুর রউফ, নাসির আহমেদ ওয়াসিম, ইব্রাহিম হোসেন, রাকিব আহমেদ, হারিছ আহমেদ প্রমূখ।।
বক্তারা বলেন, হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে পিআইসি গঠন থেকে শুরু করে কাজের প্রাথমিক পর্যায়েই নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিয়মান ছিলো। অতিরিক্ত বরাদ্দ, নিম্নমানের কাজ এবং অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে তারা বলেন, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন নিয়মিতভাবে কাজ করছে।
তারা আরও জানান, বিভিন্ন পিআইসি পরিদর্শন করে অনিয়মের তথ্য ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে কিন্তু দৃশ্যমান কার্যকর কোন ব্যবস্থা নিতে দেখিনি।
বক্তারা আরো বলেন অপ্রয়োজনীয় ও অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মানের ফলে সুনামগঞ্জে হাজার হাজার হেক্টর বোরো ফসলি জমি বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে, কৃষকরা সেই ধান আর রক্ষা করতে পারবেন কিনা শঙ্কায় আছেন। এই অপরিকল্পিত বাঁধ ও অপ্রয়োজনীয় পিআইসির কারণে কৃষকদের যে ক্ষতি হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, যারা এই অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িত তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করতে হবে, এবং সুনামগঞ্জ থেকে তাদের অপসারণ করতে হবে।




















