ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মার্কিন অস্ত্র পরিবহনে ইসরায়েলকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি ফ্রান্স

চেকপোস্ট ডেস্ক::
7

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র পরিবহনের জন্য ইসরায়েলকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেয়নি ফ্রান্স।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, এক পশ্চিমা কূটনীতিক ও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

তাদের মতে, সপ্তাহান্তে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সূত্রগুলো আরও জানায়, ইরান-সংঘাত শুরুর পর এই প্রথমবারের মতো ফ্রান্স এমন পদক্ষেপ নিল, যেখানে তারা ইসরায়েলকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, এ সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে ঘিরে ইউরোপীয় দেশগুলোর অবস্থান এবং কূটনৈতিক ভারসাম্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে।

তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ফ্রান্সের প্রেসিডেন্সি বা দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ০১:২৭:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
৫০৫ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন অস্ত্র পরিবহনে ইসরায়েলকে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি ফ্রান্স

আপডেট সময় ০১:২৭:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
7

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র পরিবহনের জন্য ইসরায়েলকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেয়নি ফ্রান্স।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, এক পশ্চিমা কূটনীতিক ও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

তাদের মতে, সপ্তাহান্তে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সূত্রগুলো আরও জানায়, ইরান-সংঘাত শুরুর পর এই প্রথমবারের মতো ফ্রান্স এমন পদক্ষেপ নিল, যেখানে তারা ইসরায়েলকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, এ সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে ঘিরে ইউরোপীয় দেশগুলোর অবস্থান এবং কূটনৈতিক ভারসাম্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে।

তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ফ্রান্সের প্রেসিডেন্সি বা দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।