ঢাকা ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের ছবি না থাকায় কর্মী-সমর্থকদের মাঝে সমালোচনা ও ক্ষোভ

মাধবপুরে আ’লীগ নেতাদের ঈদ শুভেচ্ছায় নেই বঙ্গবন্ধু-শেখ হাসিনার ছবি

স্টাফ রিপোর্টার::
9

“সাবাস বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়- জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার, তবু মাথা নোয়াবার নয়।” কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের কালজয়ী কবিতা “দুর্মর”-এর এই পঙ্‌ক্তিতে ফুটে ওঠে বাঙালির অদম্য সাহস ও অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করার দৃঢ়তা।

তবে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার কর্মকাণ্ডে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। অভিযোগ উঠেছে, দলীয় আদর্শ থেকে সরে গিয়ে তারা ঈদ শুভেচ্ছা ফেস্টুন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের ছবি ব্যবহার করছেন না।

জানা গেছে, উপজেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা অতীতে নৌকা প্রতীক নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে কেউ বিজয়ী হয়েছেন, কেউ হয়েছেন পরাজিত। অনেকেই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

কিন্তু সাম্প্রতিক ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তাদের দেওয়া শুভেচ্ছা বার্তায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার ছবি অনুপস্থিত দেখা গেছে, যা নিয়ে স্থানীয় কর্মী-সমর্থকদের মাঝে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

১নং ধর্মঘর ইউনিয়নের সাবেক আওয়ামী লীগ সভাপতি ও চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ পারুল তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঈদ শুভেচ্ছা জানালেও সেখানে দলীয় প্রধানের ছবি বা পদবী উল্লেখ করেননি।

একইভাবে, ২নং চৌমুহনী ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত উপজেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক মোঃ আপন মিয়া “আপন চেয়ারম্যান” নামে ফেসবুক আইডি থেকে শুভেচ্ছা জানান। তার ব্যবহৃত ফেস্টুনেও বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি ছিল না।

এছাড়া ৬নং শাহজাহানপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সভাপতি মোঃ বাবুল হোসেন খান, যিনি উপনির্বাচনে নৌকা প্রতীকে জয়লাভ করেছিলেন, তার শুভেচ্ছা বার্তাতেও দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের ছবি অনুপস্থিত ছিল।

দলীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা এসব নেতার এমন আচরণে তৃণমূল কর্মী ও সমর্থকদের মাঝে ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এটিকে দলীয় আদর্শ থেকে বিচ্যুতি হিসেবে দেখছেন এবং এ বিষয়ে দলীয়ভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ০৪:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬
৫০২ বার পড়া হয়েছে

দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের ছবি না থাকায় কর্মী-সমর্থকদের মাঝে সমালোচনা ও ক্ষোভ

মাধবপুরে আ’লীগ নেতাদের ঈদ শুভেচ্ছায় নেই বঙ্গবন্ধু-শেখ হাসিনার ছবি

আপডেট সময় ০৪:৩৭:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬
9

“সাবাস বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়- জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার, তবু মাথা নোয়াবার নয়।” কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের কালজয়ী কবিতা “দুর্মর”-এর এই পঙ্‌ক্তিতে ফুটে ওঠে বাঙালির অদম্য সাহস ও অন্যায়ের কাছে মাথা নত না করার দৃঢ়তা।

তবে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার কর্মকাণ্ডে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। অভিযোগ উঠেছে, দলীয় আদর্শ থেকে সরে গিয়ে তারা ঈদ শুভেচ্ছা ফেস্টুন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের ছবি ব্যবহার করছেন না।

জানা গেছে, উপজেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা অতীতে নৌকা প্রতীক নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে কেউ বিজয়ী হয়েছেন, কেউ হয়েছেন পরাজিত। অনেকেই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

কিন্তু সাম্প্রতিক ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তাদের দেওয়া শুভেচ্ছা বার্তায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার ছবি অনুপস্থিত দেখা গেছে, যা নিয়ে স্থানীয় কর্মী-সমর্থকদের মাঝে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

১নং ধর্মঘর ইউনিয়নের সাবেক আওয়ামী লীগ সভাপতি ও চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ পারুল তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঈদ শুভেচ্ছা জানালেও সেখানে দলীয় প্রধানের ছবি বা পদবী উল্লেখ করেননি।

একইভাবে, ২নং চৌমুহনী ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত উপজেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক মোঃ আপন মিয়া “আপন চেয়ারম্যান” নামে ফেসবুক আইডি থেকে শুভেচ্ছা জানান। তার ব্যবহৃত ফেস্টুনেও বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি ছিল না।

এছাড়া ৬নং শাহজাহানপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সভাপতি মোঃ বাবুল হোসেন খান, যিনি উপনির্বাচনে নৌকা প্রতীকে জয়লাভ করেছিলেন, তার শুভেচ্ছা বার্তাতেও দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের ছবি অনুপস্থিত ছিল।

দলীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা এসব নেতার এমন আচরণে তৃণমূল কর্মী ও সমর্থকদের মাঝে ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এটিকে দলীয় আদর্শ থেকে বিচ্যুতি হিসেবে দেখছেন এবং এ বিষয়ে দলীয়ভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।