ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এক মুখে দুই কথা: ভিজিএফ চাল নিয়ে মাধবপুরে চেয়ারম্যানকে ঘিরে সন্দেহ

মাধবপুর প্রতিনিধি::
6

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর খুরশেদ আলমের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল।

সোমবার সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Facebook-এ ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, চেয়ারম্যান অভিযোগ করছেন—আদাঐর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আবদুল কাইয়ুম সরদার কয়েক বস্তা ভিজিএফের চাল জোরপূর্বক নিয়ে গেছেন।

অন্যদিকে, গত ১৫ তারিখে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরিত একটি সরকারি চিঠিতে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়কে জানানো হয়, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ইউনিয়নের ৭১১ জন ভিজিএফ কার্ডধারীর মাঝে ১০ কেজি করে চাল সুষ্ঠুভাবে বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে এবং কোথাও কোনো ঘাটতি বা অনিয়ম হয়নি।

চেয়ারম্যানের এই দুই ভিন্নধর্মী বক্তব্য ঘিরে এখন প্রশ্ন উঠেছে—যদি ভিডিওতে দেওয়া অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে বিতরণকৃত চালের ঘাটতি কীভাবে পূরণ করা হলো? আর যদি সরকারি চিঠির তথ্য সঠিক হয়, তবে ভিডিওতে করা অভিযোগের ভিত্তি কী?

স্থানীয়দের একাংশের দাবি, এটি পরিকল্পিতভাবে আদাঐর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আবদুল কাইয়ুম সরদারকে ফাঁসানোর চেষ্টা হতে পারে।

এ বিষয়ে আবদুল কাইয়ুম সরদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,
“চেয়ারম্যানের কোন বক্তব্য সঠিক—লিখিত নাকি ভিডিও—তা আগে নির্ধারণ করা দরকার। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।”

এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহল দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ০৬:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
৫০৪ বার পড়া হয়েছে

এক মুখে দুই কথা: ভিজিএফ চাল নিয়ে মাধবপুরে চেয়ারম্যানকে ঘিরে সন্দেহ

আপডেট সময় ০৬:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
6

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর খুরশেদ আলমের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল।

সোমবার সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Facebook-এ ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, চেয়ারম্যান অভিযোগ করছেন—আদাঐর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আবদুল কাইয়ুম সরদার কয়েক বস্তা ভিজিএফের চাল জোরপূর্বক নিয়ে গেছেন।

অন্যদিকে, গত ১৫ তারিখে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরিত একটি সরকারি চিঠিতে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়কে জানানো হয়, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ইউনিয়নের ৭১১ জন ভিজিএফ কার্ডধারীর মাঝে ১০ কেজি করে চাল সুষ্ঠুভাবে বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে এবং কোথাও কোনো ঘাটতি বা অনিয়ম হয়নি।

চেয়ারম্যানের এই দুই ভিন্নধর্মী বক্তব্য ঘিরে এখন প্রশ্ন উঠেছে—যদি ভিডিওতে দেওয়া অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে বিতরণকৃত চালের ঘাটতি কীভাবে পূরণ করা হলো? আর যদি সরকারি চিঠির তথ্য সঠিক হয়, তবে ভিডিওতে করা অভিযোগের ভিত্তি কী?

স্থানীয়দের একাংশের দাবি, এটি পরিকল্পিতভাবে আদাঐর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আবদুল কাইয়ুম সরদারকে ফাঁসানোর চেষ্টা হতে পারে।

এ বিষয়ে আবদুল কাইয়ুম সরদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,
“চেয়ারম্যানের কোন বক্তব্য সঠিক—লিখিত নাকি ভিডিও—তা আগে নির্ধারণ করা দরকার। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।”

এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহল দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।