কুয়েটের শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত: বহিষ্কার ৫ শিক্ষার্থী, সতর্কবার্তা ৩২ জনকে

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)-এ শিক্ষক লাঞ্চনার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচ শিক্ষার্থীকে একাডেমিক বহিষ্কার এবং আরও ৩২ শিক্ষার্থীকে সতর্ক করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার ছাত্র শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরদিন সোমবার সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের চিঠি প্রদান করা হয়।
কুয়েটের ছাত্র কল্যাণ পরিচালক প্রফেসর ড. বি এম ইকরামুল হক বলেন, “শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনায় পাঁচ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একজনকে এক বছরের জন্য এবং চারজনকে ছয় মাসের জন্য একাডেমিক বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া ভবিষ্যতে বিশৃঙ্খলার সঙ্গে জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ৩২ জনকে সতর্ক করা হয়েছে।”
শাস্তিপ্রাপ্তরা হলেন- এমএসসি শিক্ষার্থী সেলিম সাদমান (১ বছরের জন্য বহিষ্কার), লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২৩ ব্যাচের ওমর বিন হোসাইন, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ২১ ব্যাচের শান্ত ইসলাম, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মো. হৃদয়, ইলেকট্রনিক অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ২২ ব্যাচের সাফওয়ান আহমেদ ইফাজ (প্রতিজনকে ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার)।
উল্লেখ্য, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ছাত্র রাজনীতি বন্ধের দাবিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেদিন রাতে হামলাকারীদের পক্ষ নেওয়ার অভিযোগে তৎকালীন উপাচার্যসহ কয়েকজন শিক্ষককে লাঞ্চিত করা হয়। এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি গত ১৪ এপ্রিল প্রতিবেদন জমা দেয়।
পরবর্তীতে আন্দোলনের মুখে উপাচার্যকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর নতুন উপাচার্য নিয়োগের মাধ্যমে ২৯ জুলাই থেকে কুয়েটের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়।




















