ঢাকা ১১:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হবিগঞ্জে দুই প্রধান শিক্ষক উগ্রবাদ ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালেন

স্টাফ রিপোর্টার::
9

মাধবপুর উপজেলার মাঝিসাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তন্নি রহমান ও সুরমা চা বাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নয়ন চৌধুরী সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উগ্রবাদ ও মৌলবাদী বক্তব্যের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নেন।

তন্নি রহমান একটি পোস্টে নারীদের প্রতি অবমাননাকর ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্যকে মানবিক মূল্যবোধবিরোধী ও অনৈতিক হিসেবে উল্লেখ করেন। তার বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দেয়। অন্যদিকে নয়ন চৌধুরী ‘টিভি ভাঙা’ ঘটনার প্রেক্ষিতে টেলিভিশনকে ‘হারাম’ বলা হয়েছে এমন উগ্র মন্তব্যকে হিপোক্রেসি ও যুক্তিহীন হিসেবে সমালোচনা করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি টেলিভিশন হারাম হয়, তবে মোবাইল ও ভিডিও মাধ্যমও কেন হারাম নয়।

দুই শিক্ষকের এই পদক্ষেপ সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসিত হয়েছে। সচেতন মহল মনে করে, শিক্ষকদের এমন অবস্থান উগ্রবাদ ও মৌলবাদ প্রতিরোধে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

স্থানীয় মাদ্রাসার মুফতি ও গণমাধ্যমকর্মী মুফতি জাকির রহমান বলেন, “ইসলাম কখনো উগ্রতার শিক্ষা দেয় না। চাকরি বা ব্যবসায় নারীদের কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। ইসলাম প্রযুক্তিকেও নিষিদ্ধ করে না। আল কুরআনের আরেক নাম ‘আল-হাকিম’, যা জ্ঞান ও প্রজ্ঞার প্রতীক। জ্ঞান-বিজ্ঞান অর্জন করা সবার জন্য ফরজ।”

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ০৯:৪০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
৫০২ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জে দুই প্রধান শিক্ষক উগ্রবাদ ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালেন

আপডেট সময় ০৯:৪০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
9

মাধবপুর উপজেলার মাঝিসাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তন্নি রহমান ও সুরমা চা বাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নয়ন চৌধুরী সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উগ্রবাদ ও মৌলবাদী বক্তব্যের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নেন।

তন্নি রহমান একটি পোস্টে নারীদের প্রতি অবমাননাকর ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্যকে মানবিক মূল্যবোধবিরোধী ও অনৈতিক হিসেবে উল্লেখ করেন। তার বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দেয়। অন্যদিকে নয়ন চৌধুরী ‘টিভি ভাঙা’ ঘটনার প্রেক্ষিতে টেলিভিশনকে ‘হারাম’ বলা হয়েছে এমন উগ্র মন্তব্যকে হিপোক্রেসি ও যুক্তিহীন হিসেবে সমালোচনা করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি টেলিভিশন হারাম হয়, তবে মোবাইল ও ভিডিও মাধ্যমও কেন হারাম নয়।

দুই শিক্ষকের এই পদক্ষেপ সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসিত হয়েছে। সচেতন মহল মনে করে, শিক্ষকদের এমন অবস্থান উগ্রবাদ ও মৌলবাদ প্রতিরোধে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

স্থানীয় মাদ্রাসার মুফতি ও গণমাধ্যমকর্মী মুফতি জাকির রহমান বলেন, “ইসলাম কখনো উগ্রতার শিক্ষা দেয় না। চাকরি বা ব্যবসায় নারীদের কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। ইসলাম প্রযুক্তিকেও নিষিদ্ধ করে না। আল কুরআনের আরেক নাম ‘আল-হাকিম’, যা জ্ঞান ও প্রজ্ঞার প্রতীক। জ্ঞান-বিজ্ঞান অর্জন করা সবার জন্য ফরজ।”