হবিগঞ্জের লস্করপুড়ে খোয়াই নদির বাদ কেটে নিচ্ছে মাটি ও ড্রেজার মেশিনে তুলছে বালো। প্রশাসন নিরব!

হবিগঞ্জের লস্করপুর এলাকার সদর উপজেলার রেল ব্রিজের একশত গজের ভিতরে খোয়াই নদির চর কেটে মাটি ও বালু বিক্রি করে আসছে লস্করপুর গ্রামের বাসিন্দা শাহ আলম, “ এ বেপারে এলাকার বাসিন্দারা যানান এবার নদীতে পানি বাড়লে সরাসরি বেড়িবাঁধে ধাক্কা দেবে। ভাঙন শুরু হলে- প্রথমেই নদির বাধ ভাংবে। ইচ্ছামত মাটি কাটায় নদীর চেয়ে আইলের গোড়া গভীর হয়ে গেছে।
এবার যদি চব্বিশের মত নদীতে পানি বাড়ে তাহলে বনন্যা নিশ্চিত । জন্মের পর থেকে এই নদী দেখে বড় হই- প্রতি বছরই এভাবে নদীর বুক খুঁড়ে মাটি নিয়ে যায় কিছু প্রভাবশালী লোক। গ্রামবাশী আরও জানান শাহ আলমের টাকার কাছে বিক্রি রেল কর্মকর্তা নদির বাধের বেড়ি খোলেদেন ট্রাকটর যাতায়াতের জন্য। মাটি কাটা ও অভৈধ বালু তুলার কারণে নদী প্রায় শেষ। কোনো কোনো জায়গায় ২০ ফুট গভীর করেও কাটা হয়েছে মাটি।
সরজমিনে ঘুরে জানা গেছে, দীর্ঘ কয়েক মাসেরও বেশি সময় ধরে রাতের আঁধারে খোয়াই নদীর চরে মাটি ও বালু তুলে নিয়ে যাচ্ছে শাহ আলম । তারা নদীর মাটির ও বালুর গাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য নদির বাদ কেটে ড্রাভেসন করে । খোয়াই নদির চর কেটে বিপদ ডেকে আনা হচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
প্রতি ট্রাক মাটি সর্বনিম্ন ৯০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ও প্রতি ট্রাকটর বালু ৪ হাজার হতে সাড়ে ৪হাজার টাকা। এসব মাটি বালু যাচ্ছে জলাশয় ভরাট ও বাড়ির ভিটের কাজে । স্থানীয়দের অভিযোগ, দলীয় ও প্রশাসনিক পরিচয় ব্যবহার করে চরের মাটি কাটা হচ্ছে।
এ বিষয়ে নেই প্রশাসনের কোন তদারকি প্রশাসন যেন নিরব। কোন প্রকার প্রশাসনিক কার্যক্রম নেই বললে চলে।



















