বিএনপি ধানের শীষ, জামায়াত দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টি লাঙ্গল ও ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা প্রতীক পায়
সাতক্ষীরার ৪ আসনে ২০ জন চূড়ান্ত প্রার্থী পেলেন প্রতীক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সাতক্ষীরার ৪টি আসনে ২০ জন চূড়ান্ত প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১২টায় জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ আফরোজা আখতার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রতীক বরাদ্দ করেন।
প্রতীক বরাদ্দকালে তিনি এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা নির্বাচনী আচরণ বিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, বিজিবি প্রধান এবং আনসার কমান্ডান্টসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
প্রতীক বরাদ্দ অনুযায়ী-বিএনপি (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামী (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টি (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা), বাংলাদেশ কংগ্রেস (ডাব), বাংলাদেশ জাসদ-কার (মোটরগাড়ী), স্বতন্ত্র প্রার্থী (ফুটবল), বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (রকেট)।
আসন ভিত্তিক প্রার্থীরা-
সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া): বিএনপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব (ধানের শীষ), জামায়াত মো. ইজ্জত উল্লাহ (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন শেখ মো. রেজাউল ইসলাম (হাতপাখা), জাতীয় পার্টি জিয়াউর রহমান (লাঙ্গল), বাংলাদেশ কংগ্রেস এড. ইয়ারুল ইসলাম (ডাব)
সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা): বিএনপি আব্দুর রউফ (ধানের শীষ), জামায়াত মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টি আশরাফুজ্জামান (লাঙ্গল), জাসদ ইদ্রিস আলী (কার), ইসলামী আন্দোলন মুফতী রবিউল ইসলাম (হাতপাখা)
সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ-আশাশুনি): বিএনপি বিদ্রোহী সতন্ত্র ডা. শহিদুল আলম (ফুটবল), বিএনপি কাজী আলাউদ্দীন (ধানের শীষ), জামায়াত হাফেজ রবিউল বাশার (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টি আলিপ হোসেন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন ওয়েজ কুরনী (হাতপাখা), বিএমজেপি রুবেল হোসেন (রকেট)
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর): বিএনপি ড. মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান (ধানের শীষ), জামায়াত জিএম নজরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টি আব্দুর রশীদ (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন এইচ এম মিজানুর রহমান (হাতপাখা)
জেলার ৪টি আসনে মোট ৩৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়লেও শুনানিতে ১৯টি বৈধ ও ১০টি বাতিল ঘোষণা করা হয়। এরপর আপিলের মাধ্যমে ৪টি বৈধ ঘোষণা এবং ৩জন প্রার্থীর প্রত্যাহারের পর চূড়ান্তভাবে ২০ জন প্রার্থী প্রতীকসহ নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করবেন।




















