ঢাকা ১১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা আইন’ পাস

চেকপোস্ট ডেস্ক::
5

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনকারীদের দায়মুক্তির বিধান রেখে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬’ বিল সংসদে পাস হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১১তম দিনে বিলটি পাস করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশের এই বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।

বিলের ৪ ধারায় বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কারণে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার করা হবে এবং এ সংক্রান্ত বিষয়ে নতুন কোনো দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা কিংবা অভিযোগ দায়ের করা আইনত বাতিল হবে।

বিলের ৪ ধারায় আরও বলা হয়, এই বিধান সত্ত্বেও কোনো গণঅভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে হত্যাকাণ্ড সংঘটনের অভিযোগ থাকলে তা কমিশনে দাখিল করা যাবে এবং কমিশন ওই অভিযোগ তদন্তের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তবে শর্ত থাকে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনে যা কিছু থাকুক না কেন, যেক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি কোনো প্রতিষ্ঠান বা বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন, সেইক্ষেত্রে কমিশন ওই প্রতিষ্ঠান বা বাহিনীতে বর্তমানে বা পূর্বে কর্মরত কোনো কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব প্রদান করবে না। তদন্ত চলাকালে আসামিকে গ্রেপ্তার বা হেফাজতে গ্রহণ করার প্রয়োজন হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা যুক্তিসংগত কারণ উল্লেখ করে কমিশনের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করবেন।

বিলের ব্যাখ্যায় বলা হয়, যেক্ষেত্রে কমিশনের তদন্তে প্রতীয়মান হয় যে, অভিযোগে উল্লিখিত কাজ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার ছিল, সেক্ষেত্রে কমিশন সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবে। অতঃপর আদালত ওই প্রতিবেদনকে পুলিশ প্রতিবেদনের সমতুল্য গণ্য করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করবে। যেক্ষেত্রে কমিশনের তদন্তে প্রতীয়মান হয় যে, অভিযোগে উল্লিখিত কাজ রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ ছিল, সেইক্ষেত্রে কমিশন উপযুক্ত মনে করলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে সরকারকে আদেশ প্রদান করতে পারবে; এবং ওই ক্ষেত্রে কোনো আদালতে সংশ্লিষ্ট কাজ সম্পর্কিত কোনো মামলা দায়ের করা যাবে না কিংবা অন্য কোনো আইনগত কার্যধারা গ্রহণ করা যাবে না।

ট্যাগস :

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ১১:৪০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
৫০৪ বার পড়া হয়েছে

সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা আইন’ পাস

আপডেট সময় ১১:৪০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
5

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনকারীদের দায়মুক্তির বিধান রেখে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬’ বিল সংসদে পাস হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১১তম দিনে বিলটি পাস করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশের এই বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।

বিলের ৪ ধারায় বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কারণে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার করা হবে এবং এ সংক্রান্ত বিষয়ে নতুন কোনো দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা কিংবা অভিযোগ দায়ের করা আইনত বাতিল হবে।

বিলের ৪ ধারায় আরও বলা হয়, এই বিধান সত্ত্বেও কোনো গণঅভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে হত্যাকাণ্ড সংঘটনের অভিযোগ থাকলে তা কমিশনে দাখিল করা যাবে এবং কমিশন ওই অভিযোগ তদন্তের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তবে শর্ত থাকে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনে যা কিছু থাকুক না কেন, যেক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি কোনো প্রতিষ্ঠান বা বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন, সেইক্ষেত্রে কমিশন ওই প্রতিষ্ঠান বা বাহিনীতে বর্তমানে বা পূর্বে কর্মরত কোনো কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব প্রদান করবে না। তদন্ত চলাকালে আসামিকে গ্রেপ্তার বা হেফাজতে গ্রহণ করার প্রয়োজন হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা যুক্তিসংগত কারণ উল্লেখ করে কমিশনের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করবেন।

বিলের ব্যাখ্যায় বলা হয়, যেক্ষেত্রে কমিশনের তদন্তে প্রতীয়মান হয় যে, অভিযোগে উল্লিখিত কাজ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার ছিল, সেক্ষেত্রে কমিশন সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবে। অতঃপর আদালত ওই প্রতিবেদনকে পুলিশ প্রতিবেদনের সমতুল্য গণ্য করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করবে। যেক্ষেত্রে কমিশনের তদন্তে প্রতীয়মান হয় যে, অভিযোগে উল্লিখিত কাজ রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ ছিল, সেইক্ষেত্রে কমিশন উপযুক্ত মনে করলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে সরকারকে আদেশ প্রদান করতে পারবে; এবং ওই ক্ষেত্রে কোনো আদালতে সংশ্লিষ্ট কাজ সম্পর্কিত কোনো মামলা দায়ের করা যাবে না কিংবা অন্য কোনো আইনগত কার্যধারা গ্রহণ করা যাবে না।