ঢাকা ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসল আনসার প্রশাসন

মাধবপুরে নির্বাচনী ভাতা কেলেঙ্কারির অভিযোগে দুই কর্মকর্তা শোকজ

স্টাফ রিপোর্টার::
107

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী-এর নির্বাচনী ডিউটিতে অনিয়ম, ভাতা আত্মসাৎ ও পরিচয় জালিয়াতির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগ তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছে জেলা কর্তৃপক্ষ।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় পত্রিকায় এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে এবং তাৎক্ষণিকভাবে প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু হয় বলে জানা গেছে।

জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মাধবপুর উপজেলায় ডিউটি বরাদ্দ, সদস্য নিয়োগ ও ভাতা প্রদানে অনিয়মের অভিযোগ এনে পৃথক দুটি লিখিত আবেদন জমা পড়ে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত উপজেলা আনসার ভিডিপি কমান্ডার ওয়াহাব মিয়া ও দলনেতা হাবিব মিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপজেলার ৯৪টি কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ২২২ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত ছিলেন। সরকারিভাবে প্রত্যেক সদস্যের জন্য ৮ হাজার ২৬০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও কয়েকজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্যকে দায়িত্ব না দিয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের ডিউটিতে নিয়োগ দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া কিছু সদস্যের নামে বরাদ্দকৃত ভাতা অন্যদের মাধ্যমে উত্তোলনের অভিযোগও রয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, নিয়মিত ও তালিকাভুক্ত সদস্যদের বাদ দিয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের দায়িত্বে নেওয়া হয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত প্রাপ্য ভাতা পরিশোধ করা হয়নি। এমনকি কিছু সদস্যের ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে টাকা পাঠিয়ে পরে তা ফেরত নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

হবিগঞ্জ জেলা আনসার ভিডিপি কমান্ড্যান্ট মজিবুল হক বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের শোকজ করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে আছেন সংশ্লিষ্ট সদস্য ও এলাকাবাসী।

ট্যাগস :

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ০৬:৩৩:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
৫৫৫ বার পড়া হয়েছে

সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসল আনসার প্রশাসন

মাধবপুরে নির্বাচনী ভাতা কেলেঙ্কারির অভিযোগে দুই কর্মকর্তা শোকজ

আপডেট সময় ০৬:৩৩:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
107

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী-এর নির্বাচনী ডিউটিতে অনিয়ম, ভাতা আত্মসাৎ ও পরিচয় জালিয়াতির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগ তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছে জেলা কর্তৃপক্ষ।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় পত্রিকায় এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে এবং তাৎক্ষণিকভাবে প্রাথমিক অনুসন্ধান শুরু হয় বলে জানা গেছে।

জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মাধবপুর উপজেলায় ডিউটি বরাদ্দ, সদস্য নিয়োগ ও ভাতা প্রদানে অনিয়মের অভিযোগ এনে পৃথক দুটি লিখিত আবেদন জমা পড়ে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত উপজেলা আনসার ভিডিপি কমান্ডার ওয়াহাব মিয়া ও দলনেতা হাবিব মিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপজেলার ৯৪টি কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ২২২ জন আনসার সদস্য নিয়োজিত ছিলেন। সরকারিভাবে প্রত্যেক সদস্যের জন্য ৮ হাজার ২৬০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও কয়েকজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্যকে দায়িত্ব না দিয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের ডিউটিতে নিয়োগ দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া কিছু সদস্যের নামে বরাদ্দকৃত ভাতা অন্যদের মাধ্যমে উত্তোলনের অভিযোগও রয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, নিয়মিত ও তালিকাভুক্ত সদস্যদের বাদ দিয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের দায়িত্বে নেওয়া হয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত প্রাপ্য ভাতা পরিশোধ করা হয়নি। এমনকি কিছু সদস্যের ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে টাকা পাঠিয়ে পরে তা ফেরত নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

হবিগঞ্জ জেলা আনসার ভিডিপি কমান্ড্যান্ট মজিবুল হক বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের শোকজ করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে আছেন সংশ্লিষ্ট সদস্য ও এলাকাবাসী।