ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

র‍্যাগিংবিরোধী সচেতনতা জোরদার করতে কুবিতে ‘কমল’-এর ক্যাম্পেইন

বিশেষ প্রতিনিধি::
33

র‍্যাগিং, বুলিং ও হ্যারাসমেন্টের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ক্যাম্পেইন চালিয়েছে সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘কমল, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়’। ভর্তি পরীক্ষাকে সামনে রেখে নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সম্মানজনক ক্যাম্পাস পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কমল, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে র‍্যাগিং, বুলিং ও হ্যারাসমেন্ট বিরোধী প্রচারণার অংশ হিসেবে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সচেতনতামূলক স্টিকার লাগানো হয়। ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং ভয়ভীতিমুক্ত, সহযোগিতাপূর্ণ একটি ক্যাম্পাস সংস্কৃতি গড়ে তোলা।

এই কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা ও অর্থায়নে ছিলেন কমল, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা রিয়াজ উদ্দিন অন্তর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা মোতাসিম বিল্লাহ পাটোয়ারী রিফাত। এছাড়া যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে ছিলেন ওয়াসিম সাকিব, সেজান খান, আসাদুল ইসলাম রুমন, আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ মাসউদ, জোবায়ের আহমেদ ও মেহেদী ফারহান। আহ্বায়ক সদস্য হিসেবে অংশ নেন রেদওয়ান অন্তর, মুনতাসির বিল্লাহ পাটোয়ারী সিফাত, নাঈম হোসেন ও মো. রিফাত।

কমল, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বায়ক সাইফুল মালেক আকাশ বলেন, ‘আগামীকাল ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। নবীন শিক্ষার্থীদের অভয় দিতেই আমাদের এই র‍্যাগিংবিরোধী ক্যাম্পেইন। আমরা চাই না ভয় বা চাপের মাধ্যমে সম্পর্ক তৈরি হোক। বরং সহযোগিতা ও পারস্পরিক সম্মানের মাধ্যমে সিনিয়র-জুনিয়রের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠুক।’

সংগঠনের সদস্য সচিব খান মোহাম্মদ নাঈম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিং, বুলিং ও হ্যারাসমেন্ট কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এগুলো শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে এবং শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করে। ভয় ও অপমানের কারণে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী পিছিয়ে পড়ে। একটি বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া উচিত নিরাপদ, সম্মানজনক ও মানবিক জায়গা। তাই এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং একসঙ্গে দাঁড়াতে হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ০৫:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
৫২০ বার পড়া হয়েছে

র‍্যাগিংবিরোধী সচেতনতা জোরদার করতে কুবিতে ‘কমল’-এর ক্যাম্পেইন

আপডেট সময় ০৫:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
33

র‍্যাগিং, বুলিং ও হ্যারাসমেন্টের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ক্যাম্পেইন চালিয়েছে সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘কমল, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়’। ভর্তি পরীক্ষাকে সামনে রেখে নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সম্মানজনক ক্যাম্পাস পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কমল, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে র‍্যাগিং, বুলিং ও হ্যারাসমেন্ট বিরোধী প্রচারণার অংশ হিসেবে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সচেতনতামূলক স্টিকার লাগানো হয়। ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং ভয়ভীতিমুক্ত, সহযোগিতাপূর্ণ একটি ক্যাম্পাস সংস্কৃতি গড়ে তোলা।

এই কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা ও অর্থায়নে ছিলেন কমল, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা রিয়াজ উদ্দিন অন্তর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা মোতাসিম বিল্লাহ পাটোয়ারী রিফাত। এছাড়া যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে ছিলেন ওয়াসিম সাকিব, সেজান খান, আসাদুল ইসলাম রুমন, আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ মাসউদ, জোবায়ের আহমেদ ও মেহেদী ফারহান। আহ্বায়ক সদস্য হিসেবে অংশ নেন রেদওয়ান অন্তর, মুনতাসির বিল্লাহ পাটোয়ারী সিফাত, নাঈম হোসেন ও মো. রিফাত।

কমল, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বায়ক সাইফুল মালেক আকাশ বলেন, ‘আগামীকাল ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। নবীন শিক্ষার্থীদের অভয় দিতেই আমাদের এই র‍্যাগিংবিরোধী ক্যাম্পেইন। আমরা চাই না ভয় বা চাপের মাধ্যমে সম্পর্ক তৈরি হোক। বরং সহযোগিতা ও পারস্পরিক সম্মানের মাধ্যমে সিনিয়র-জুনিয়রের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠুক।’

সংগঠনের সদস্য সচিব খান মোহাম্মদ নাঈম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিং, বুলিং ও হ্যারাসমেন্ট কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এগুলো শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে এবং শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করে। ভয় ও অপমানের কারণে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী পিছিয়ে পড়ে। একটি বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া উচিত নিরাপদ, সম্মানজনক ও মানবিক জায়গা। তাই এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং একসঙ্গে দাঁড়াতে হবে।