এক সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা রত্না, যিনি এখন অভিনয়ে বিরতি নিয়েছেন, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এক যুবকের মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি হওয়ার কাহিনি শেয়ার করেছেন। এই যুবক একসময় রত্নাকে প্রেমপত্র দিয়েছিলেন, আর সেই প্রেমের সূত্রেই তার জীবনে নানা ঘটনার শুরু।
রত্না বলেন, “জীবনের প্রথম প্রেমপত্র আমাকে দেওয়া ছেলেটি ছিল রনি। পরবর্তীতে জানলাম, সে এখন গাজীপুরের একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি।” অভিনেত্রী জানান, রনির কর্মকাণ্ডের কারণে তাদের সম্পর্ক জটিল হয়ে ওঠে। একসময়, রনি বাদামওয়ালার মাধ্যমে প্রেমপত্র পাঠায়, এবং পরে রত্না তাকে তীব্রভাবে গালিগালাজ করেন। এর পরেই রনি ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের বাড়ির দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেয়, এবং রত্নার বাবা তাকে মারধর করেন।
এ প্রসঙ্গে রত্না বলেন, “আমি যখন বাসার জানালায় বসে থাকতাম, তখন রনিকে দেখতে পেতাম। তবে পরে আর তাকে দেখা পাইনি, আর সে সময় আমি তাকে অনেক মিস করতাম।”
বর্তমানে রত্না ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশ স্থিতিশীল। তিনি স্বামী ও দুই সন্তানের মা। তবে, তিনি এখন শিল্পীদের নিয়ে কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তিনি দুটি নাটকের শুটিং করেছেন—‘প্রতিবাদী নারী’ ও ‘ঝগড়াটে পরিবার’। রত্না এই নাটকগুলোর মাধ্যমে বেকার শিল্পীদের কাজ দেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং তাদের মেধাকে প্রমোট করতে চান।
রত্না তার ইউটিউব চ্যানেলে নাটকগুলোর মুক্তি দেবেন, এবং তিনি আশা করেন যে নাটক দিয়ে লাভবান হলে সেই লাভ শিল্পীদের মধ্যে ভাগ করে দেবেন।