ঢাকা ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে লাখ লাখ মানুষ

চেকপোস্ট ডেস্ক::
22

ইরানে যুদ্ধ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপজুড়ে ‘নো কিংস’ শিরোনামে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন লাখ লাখ মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা এই বিক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। সেখানে আয়োজকরা আশা করেন ১০ লাখের বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করেছে। এ খবর দিয়ে বার্তা সংস্থা এপি বলছে, সেন্ট পলে মিনেসোটা ক্যাপিটল লনের চারপাশে হাজার হাজার মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেয়। অনেকে উল্টো করে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা ধরেন। এটাকে ঐতিহাসিকভাবে বিপদের সংকেত হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

এই অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিলেন ব্রুস স্প্রিংস্টিন। তিনি ‘স্ট্রিটস অব মিনিয়াপোলিস’ গানটি পরিবেশন করেন। তিনি গানটি লিখেছিলেন ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে নিহত রেনে গুড এবং অ্যালেক্স প্রেট্টির স্মরণে এবং শীতকালে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় নামা মিনেসোটার হাজারো মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। গান শুরু করার আগে স্প্রিংস্টিন বলেন, গুড ও প্রেট্টির মৃত্যুতে তিনি শোকাহত। তবে মানুষের প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ়তা পুরো দেশকে আশা দিয়েছে। তিনি বলেন, তোমাদের শক্তি ও প্রতিশ্রুতি আমাদের জানিয়েছে- এটাই এখনও আমেরিকা। এই প্রতিক্রিয়াশীল দুঃস্বপ্ন এবং আমেরিকার শহরগুলিতে এই আগ্রাসন আমরা মেনে নেব না।

নিউ ইয়র্ক সিটিতে প্রায় ৮৫ লাখ মানুষ বাস করে। সেখান থেকে শুরু করে ইডাহোর ছোট শহর ড্রিগস পর্যন্ত মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেয়। যুক্তরাষ্ট্রের আয়োজকরা জানিয়েছেন, জুনে প্রথম দফা এবং অক্টোবরে দ্বিতীয় দফা ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে যথাক্রমে ৫০ লাখ ও ৭০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছে। এবার তারা ৯০ লাখ মানুষ অংশগ্রহণের আশা করেন। তারা জানান, ৫০টি অঙ্গরাজ্যে ৩১০০টিরও বেশি বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কানসাসের টোপেকায় স্টেটহাউসের সামনে এক বিক্ষোভে কেউ ব্যাঙ রাজা সেজেছিলেন। কেউ আবার ডনাল্ড ট্রাম্পকে শিশুর মতো দেখাচ্ছিলেন। ওয়েন্ডি ওয়ায়াট ‘ক্যাটস এগেইনস্ট ট্রাম্প’ লেখা সাইন নিয়ে ২০ মাইল দূর থেকে এসে অংশ নেন বিক্ষোভে। তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের অনেক বিষয়ই আমাকে হতাশ করে। কিন্তু এই আন্দোলন আমাকে আশাবাদী করছে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যাবিগেইল জ্যাকসন এসব বিক্ষোভকে ‘বামপন্থী অর্থায়নে পরিচালিত’ বলে উল্লেখ করে বলেন, এগুলোর প্রকৃত জনসমর্থন কম। ন্যাশনাল রিপাবলিকান কংগ্রেশনাল কমিটিও কঠোর সমালোচনা করেছে বিক্ষোভের। তারা বলে, এই ‘হেইট আমেরিকা’ বিক্ষোভগুলোতে চরম বামপন্থীদের উগ্র কল্পনাগুলো প্রকাশ পায়। প্রতিবাদকারীদের দাবির তালিকায় শুধু অভিবাসন নীতিই নয়, ইরানের যুদ্ধ এবং ট্রান্সজেন্ডার অধিকার হ্রাসের বিষয়ও ছিল। ওয়াশিংটনে শত শত মানুষ লিংকন মেমোরিয়াল থেকে ন্যাশনাল মলে মিছিল করে ‘পুট ডাউন দ্য ক্রাউন’ এবং ‘রেজিম চেঞ্জ বিগিনস এট হোম’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে। সিয়াটল থেকে যোগ দেয়া বিল জারচো বলেন, আমরা রাজাকে উপহাস করি- এটাই আমাদের প্রতিবাদ। কর্তৃত্ববাদকে হাস্যকর করে তোলা তাদের সবচেয়ে অপছন্দ।

সান ডিয়েগোতে প্রায় ৪০,০০০ মানুষ মিছিল করে বলে পুলিশ জানায়। নিউ ইয়র্কে নিউ ইয়র্ক সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের নির্বাহী পরিচালক ডোনা লিবারম্যান বলেন, ট্রাম্প ও তার সমর্থকরা চায় মানুষ যেন ভয় পায়। কিন্তু তারা ভুল- একেবারেই ভুল ভাবছে। আয়োজকদের মতে, অংশগ্রহণকারীদের দুই-তৃতীয়াংশই বড় শহরের বাইরে থেকে যোগ দিয়েছেন। এর মধ্যে আছে ইডাহো, ওয়েইমিং, মন্টানা, ইউটা, সাউথ ডাকোটা এবং লুইজিয়ানার মতো রাজ্য। মিনেসোটাকে জাতীয় প্রধান বিক্ষোভস্থল ঘোষণা করা হয়। কারণ সেখানে অভিবাসন অভিযান চলাকালে দু’জন নিহত হন। স্প্রিংস্টিনের ‘ল্যান্ড অব হোপ অ্যান্ড ড্রিমস’ আমেরিকান ট্যুরও ‘নো কিংস’ থিমে শুরু হচ্ছে মিনিয়াপোলিসে। মঞ্চে ওঠার আগে অভিনেতা রবার্ট ডি নিরোর একটি ভিডিও দেখানো হয়। তিনি বলেন, ট্রাম্পের কারণে প্রতিদিন তিনি হতাশ হয়ে ঘুম থেকে জাগেন। কিন্তু এদিনের বিক্ষোভ তাকে আনন্দিত করেছে। এই অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন জোয়ান বায়েজ, জেন ফন্ডা, সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সসহ অনেক নেতা ও কর্মী। প্রতিবাদকারীরা একটি বড় ব্যানারে লেখা ছিল, ‘আমাদের ছিল বাঁশি, তাদের ছিল বন্দুক। বিপ্লব শুরু মিনিয়াপোলিসে।’

ইউরোপ, ল্যাটিন আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়াসহ আরও অনেক দেশে একই ধরনের বিক্ষোভ হয়। রোমে হাজারো মানুষ ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। তারা ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের ইরানে হামলার বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানায়। লন্ডনে বিক্ষোভকারীরা ‘স্টপ দ্য ফার রাইট’ ও ‘আই স্ট্যান্ড আপ টু রেসিজম’ লেখা ব্যানার বহন করে। প্যারিসে শনিবার সকালে ফ্রান্সে বসবাসরত আমেরিকানদের পাশাপাশি ফরাসি শ্রমিক সংগঠন ও মানবাধিকার কর্মীরা বাস্তিল এলাকায় জড়ো হন। প্যারিসের আয়োজক অ্যাডা শেন বলেন, আমি ট্রাম্পের সব অবৈধ, অনৈতিক, বেপরোয়া ও অন্তহীন যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছি।

ট্যাগস :

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ০৫:১৫:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
৫০৮ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে লাখ লাখ মানুষ

আপডেট সময় ০৫:১৫:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
22

ইরানে যুদ্ধ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপজুড়ে ‘নো কিংস’ শিরোনামে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন লাখ লাখ মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা এই বিক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। সেখানে আয়োজকরা আশা করেন ১০ লাখের বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করেছে। এ খবর দিয়ে বার্তা সংস্থা এপি বলছে, সেন্ট পলে মিনেসোটা ক্যাপিটল লনের চারপাশে হাজার হাজার মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেয়। অনেকে উল্টো করে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা ধরেন। এটাকে ঐতিহাসিকভাবে বিপদের সংকেত হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

এই অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিলেন ব্রুস স্প্রিংস্টিন। তিনি ‘স্ট্রিটস অব মিনিয়াপোলিস’ গানটি পরিবেশন করেন। তিনি গানটি লিখেছিলেন ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে নিহত রেনে গুড এবং অ্যালেক্স প্রেট্টির স্মরণে এবং শীতকালে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় নামা মিনেসোটার হাজারো মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। গান শুরু করার আগে স্প্রিংস্টিন বলেন, গুড ও প্রেট্টির মৃত্যুতে তিনি শোকাহত। তবে মানুষের প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার দৃঢ়তা পুরো দেশকে আশা দিয়েছে। তিনি বলেন, তোমাদের শক্তি ও প্রতিশ্রুতি আমাদের জানিয়েছে- এটাই এখনও আমেরিকা। এই প্রতিক্রিয়াশীল দুঃস্বপ্ন এবং আমেরিকার শহরগুলিতে এই আগ্রাসন আমরা মেনে নেব না।

নিউ ইয়র্ক সিটিতে প্রায় ৮৫ লাখ মানুষ বাস করে। সেখান থেকে শুরু করে ইডাহোর ছোট শহর ড্রিগস পর্যন্ত মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেয়। যুক্তরাষ্ট্রের আয়োজকরা জানিয়েছেন, জুনে প্রথম দফা এবং অক্টোবরে দ্বিতীয় দফা ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে যথাক্রমে ৫০ লাখ ও ৭০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছে। এবার তারা ৯০ লাখ মানুষ অংশগ্রহণের আশা করেন। তারা জানান, ৫০টি অঙ্গরাজ্যে ৩১০০টিরও বেশি বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কানসাসের টোপেকায় স্টেটহাউসের সামনে এক বিক্ষোভে কেউ ব্যাঙ রাজা সেজেছিলেন। কেউ আবার ডনাল্ড ট্রাম্পকে শিশুর মতো দেখাচ্ছিলেন। ওয়েন্ডি ওয়ায়াট ‘ক্যাটস এগেইনস্ট ট্রাম্প’ লেখা সাইন নিয়ে ২০ মাইল দূর থেকে এসে অংশ নেন বিক্ষোভে। তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের অনেক বিষয়ই আমাকে হতাশ করে। কিন্তু এই আন্দোলন আমাকে আশাবাদী করছে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যাবিগেইল জ্যাকসন এসব বিক্ষোভকে ‘বামপন্থী অর্থায়নে পরিচালিত’ বলে উল্লেখ করে বলেন, এগুলোর প্রকৃত জনসমর্থন কম। ন্যাশনাল রিপাবলিকান কংগ্রেশনাল কমিটিও কঠোর সমালোচনা করেছে বিক্ষোভের। তারা বলে, এই ‘হেইট আমেরিকা’ বিক্ষোভগুলোতে চরম বামপন্থীদের উগ্র কল্পনাগুলো প্রকাশ পায়। প্রতিবাদকারীদের দাবির তালিকায় শুধু অভিবাসন নীতিই নয়, ইরানের যুদ্ধ এবং ট্রান্সজেন্ডার অধিকার হ্রাসের বিষয়ও ছিল। ওয়াশিংটনে শত শত মানুষ লিংকন মেমোরিয়াল থেকে ন্যাশনাল মলে মিছিল করে ‘পুট ডাউন দ্য ক্রাউন’ এবং ‘রেজিম চেঞ্জ বিগিনস এট হোম’ লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে। সিয়াটল থেকে যোগ দেয়া বিল জারচো বলেন, আমরা রাজাকে উপহাস করি- এটাই আমাদের প্রতিবাদ। কর্তৃত্ববাদকে হাস্যকর করে তোলা তাদের সবচেয়ে অপছন্দ।

সান ডিয়েগোতে প্রায় ৪০,০০০ মানুষ মিছিল করে বলে পুলিশ জানায়। নিউ ইয়র্কে নিউ ইয়র্ক সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের নির্বাহী পরিচালক ডোনা লিবারম্যান বলেন, ট্রাম্প ও তার সমর্থকরা চায় মানুষ যেন ভয় পায়। কিন্তু তারা ভুল- একেবারেই ভুল ভাবছে। আয়োজকদের মতে, অংশগ্রহণকারীদের দুই-তৃতীয়াংশই বড় শহরের বাইরে থেকে যোগ দিয়েছেন। এর মধ্যে আছে ইডাহো, ওয়েইমিং, মন্টানা, ইউটা, সাউথ ডাকোটা এবং লুইজিয়ানার মতো রাজ্য। মিনেসোটাকে জাতীয় প্রধান বিক্ষোভস্থল ঘোষণা করা হয়। কারণ সেখানে অভিবাসন অভিযান চলাকালে দু’জন নিহত হন। স্প্রিংস্টিনের ‘ল্যান্ড অব হোপ অ্যান্ড ড্রিমস’ আমেরিকান ট্যুরও ‘নো কিংস’ থিমে শুরু হচ্ছে মিনিয়াপোলিসে। মঞ্চে ওঠার আগে অভিনেতা রবার্ট ডি নিরোর একটি ভিডিও দেখানো হয়। তিনি বলেন, ট্রাম্পের কারণে প্রতিদিন তিনি হতাশ হয়ে ঘুম থেকে জাগেন। কিন্তু এদিনের বিক্ষোভ তাকে আনন্দিত করেছে। এই অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন জোয়ান বায়েজ, জেন ফন্ডা, সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সসহ অনেক নেতা ও কর্মী। প্রতিবাদকারীরা একটি বড় ব্যানারে লেখা ছিল, ‘আমাদের ছিল বাঁশি, তাদের ছিল বন্দুক। বিপ্লব শুরু মিনিয়াপোলিসে।’

ইউরোপ, ল্যাটিন আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়াসহ আরও অনেক দেশে একই ধরনের বিক্ষোভ হয়। রোমে হাজারো মানুষ ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। তারা ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের ইরানে হামলার বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ জানায়। লন্ডনে বিক্ষোভকারীরা ‘স্টপ দ্য ফার রাইট’ ও ‘আই স্ট্যান্ড আপ টু রেসিজম’ লেখা ব্যানার বহন করে। প্যারিসে শনিবার সকালে ফ্রান্সে বসবাসরত আমেরিকানদের পাশাপাশি ফরাসি শ্রমিক সংগঠন ও মানবাধিকার কর্মীরা বাস্তিল এলাকায় জড়ো হন। প্যারিসের আয়োজক অ্যাডা শেন বলেন, আমি ট্রাম্পের সব অবৈধ, অনৈতিক, বেপরোয়া ও অন্তহীন যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছি।