ঢাকা ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিয়েতে দাঁড়িপাল্লায় মেপে নাতনীর ওজন পরিমাণ পয়সা উপহার দিলেন নানা!

বগুড়া প্রতিনিধি::
2

বগুড়া শহরের ঠনঠনিয়া এলাকায় এক ব্যতিক্রমী ভালোবাসার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আব্দুল কাদের প্রামাণিক। নাতনীর বিয়েতে তার ওজনসম কয়েন উপহার দেওয়ার ইচ্ছা থাকলেও তখন তা পূরণ করতে পারেননি তিনি। অবশেষে প্রায় দেড় বছর পর সেই ইচ্ছা বাস্তবায়ন করেন।

শুক্রবার রাতে নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দাঁড়িপাল্লার এক পাশে বসানো হয় নাতনী নাইমাকে, আর অন্য পাশে তোলা হয় তার সমপরিমাণ কয়েন। এসব কয়েনের বেশিরভাগই ছিল পাঁচ টাকার।

জানা যায়, বড় মেয়ের সন্তানের জন্য বিশেষ এই উপহার দিতে তিনি ও তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে মাটির ব্যাংকে কয়েন জমিয়ে আসছিলেন। স্ত্রীর মৃত্যুর পরও সেই ইচ্ছা ধরে রেখে শেষ পর্যন্ত তা পূরণ করেন তিনি। নাতনী নাইমা জানান, নানীর ইচ্ছা পূরণ হওয়ায় তিনি আবেগাপ্লুত।

এ উপলক্ষে বাড়িতে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা ভিড় করেন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন দেখতে। স্থানীয়দের মতে, একজন নানার ভালোবাসার এমন প্রকাশ সত্যিই অনন্য।

ট্যাগস :

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ১০:১৪:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
৫০১ বার পড়া হয়েছে

বিয়েতে দাঁড়িপাল্লায় মেপে নাতনীর ওজন পরিমাণ পয়সা উপহার দিলেন নানা!

আপডেট সময় ১০:১৪:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
2

বগুড়া শহরের ঠনঠনিয়া এলাকায় এক ব্যতিক্রমী ভালোবাসার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আব্দুল কাদের প্রামাণিক। নাতনীর বিয়েতে তার ওজনসম কয়েন উপহার দেওয়ার ইচ্ছা থাকলেও তখন তা পূরণ করতে পারেননি তিনি। অবশেষে প্রায় দেড় বছর পর সেই ইচ্ছা বাস্তবায়ন করেন।

শুক্রবার রাতে নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দাঁড়িপাল্লার এক পাশে বসানো হয় নাতনী নাইমাকে, আর অন্য পাশে তোলা হয় তার সমপরিমাণ কয়েন। এসব কয়েনের বেশিরভাগই ছিল পাঁচ টাকার।

জানা যায়, বড় মেয়ের সন্তানের জন্য বিশেষ এই উপহার দিতে তিনি ও তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে মাটির ব্যাংকে কয়েন জমিয়ে আসছিলেন। স্ত্রীর মৃত্যুর পরও সেই ইচ্ছা ধরে রেখে শেষ পর্যন্ত তা পূরণ করেন তিনি। নাতনী নাইমা জানান, নানীর ইচ্ছা পূরণ হওয়ায় তিনি আবেগাপ্লুত।

এ উপলক্ষে বাড়িতে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা ভিড় করেন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন দেখতে। স্থানীয়দের মতে, একজন নানার ভালোবাসার এমন প্রকাশ সত্যিই অনন্য।