বাগেরহাটের মোংলায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের নিহত ৯ জনের দাফন সম্পন্ন

বাগেরহাটের মোংলায় শুক্রবার (১৩ মার্চ) জুম্মার নামাজ শেষে রামপাল উপজেলা পরিষদ মাঠে এ জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলামসহ বাগেরহাট জেলা ও স্থানীয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
এছাড়াও এ জানাজায় অংশ নেন হাজার হাজার মানুষ। ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দরাও। পরে বিকেল সোয়া ৩টায় মোংলা পৌর কবরস্থানে শুরু হয় দাফন প্রক্রিয়া। প্রথমে দাফন দেওয়া হয় পরিবার প্রধান আ. রাজ্জাককে। এরপর পর্যায়ক্রমে বাকিদের দাফন সম্পন্ন করা হয়।
স্থানীয়রা জানায়, আব্দুল রাজ্জাক, ছেলে আহাদুর রহমান, আবদুল্লাহ সানি, মেয়ে উম্মে সুমাইয়া (ঐশী), নাতি সামিউল ইসলাম ফাহিম, বড় ছেলে আশরাফুল আলমের (জনি) স্ত্রী ফারহানা সিদ্দিকা (পুতুল), তাঁদের ছেলে আলিফ, আরফা ও ইরামের লাশ মোংলায় আনার পর আজ দুপুরে তাদের জানাজার নামাজ শেষে মোংলা কবরস্থানে দাফন করা হয়। এতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এ রকম মর্মান্তিক দুর্ঘটনা এই প্রথম, যেখানে উৎসবের আনন্দ থাকার কথা সেখানে শোকে স্তব্ধ মানুষ। মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। দুই পরিবারের যারা মারা গেছেন তাদেরকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মোকাম দান করুক-আমিন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (১১ মার্চ) রাতে মোংলা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল রাজ্জাকের ছোট ছেলে আহাদুর রহমানের (সাব্বির) সঙ্গে বিয়ে হয় খুলনার কয়রা উপজেলার নাকসা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সালাম মোড়লের মেয়ে মার্জিয়া আক্তারের (মিতু)।
বিয়ের পর বর-কনেসহ দুই পরিবারের সদস্যরা মাইক্রোবাসে ফিরছিলেন। এরপর মাইক্রোবাসটি রামপাল উপজেলার বেলাইবিজ এলাকায় বিপরীত দিক দিয়ে আসা নৌবাহিনীর স্টাফ বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসের চালকসহ ১৪ জন নিহত হন।
এদিকে এই মৃত্যুতে তাৎক্ষণিক সমবেদনা ও শোক জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।




















