ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বগুড়া-৬ উপনির্বাচন: বিশাল ব্যবধানে জিতল ধানের শীষের বাদশা

চেকপোস্ট ডেস্ক::
9

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবারের ঐতিহাসিক মর্যাদার ৪১ বগুড়া-৬ সদর সংসদীয় আসনের হাল ধরলেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। উপনির্বাচনে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে বিশাল ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সাড়ে রাত আটটা পর্যন্ত সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়। মোট ১৫০ কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা (ধানের শীষ) ১ লাখ ৩৩ হাজার ২১৫ ভোট, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল (দাঁড়িপাল্লা) ৫৬ হাজার ৯০৪ ভোট এবং বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টির আল আমিন (ফুলকপি) প্রতীকে পেয়েছেন ৪৯২ ভোট। রিটার্নিং অফিসার মো. ফজলুল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ সদর শূন্য সংসদীয় আসনে বৃহস্পতিবার উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসবমুখর ছিল নির্বাচন। শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত সদর উপজেলায় সকাল ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। এখানকার মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৭ জন।

সুত্র জানায়, এই আসনে ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে এখান থেকে নির্বাচিত হন বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ২০১৮ সালে নির্বাচিত হন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে উপনির্বাচনে জয়ী হন বিএনপির প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ সদর এবং ঢাকা-১৭ আসনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শপথের আগেরদিন তিনি বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেন। শূন্য আসনে উপনির্বাচন তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট পেয়ে হেরে যান জামায়াত প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল।

উপনির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার জায়েদ ইবনে আবুল ফজল জানান, অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উপনির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও কোনো সংঘাত ঘটেনি।

ট্যাগস :

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ০৯:২৯:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
৫০৪ বার পড়া হয়েছে

বগুড়া-৬ উপনির্বাচন: বিশাল ব্যবধানে জিতল ধানের শীষের বাদশা

আপডেট সময় ০৯:২৯:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
9

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবারের ঐতিহাসিক মর্যাদার ৪১ বগুড়া-৬ সদর সংসদীয় আসনের হাল ধরলেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। উপনির্বাচনে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে বিশাল ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সাড়ে রাত আটটা পর্যন্ত সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়। মোট ১৫০ কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা (ধানের শীষ) ১ লাখ ৩৩ হাজার ২১৫ ভোট, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল (দাঁড়িপাল্লা) ৫৬ হাজার ৯০৪ ভোট এবং বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টির আল আমিন (ফুলকপি) প্রতীকে পেয়েছেন ৪৯২ ভোট। রিটার্নিং অফিসার মো. ফজলুল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ সদর শূন্য সংসদীয় আসনে বৃহস্পতিবার উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসবমুখর ছিল নির্বাচন। শিল্পনগরী হিসেবে পরিচিত সদর উপজেলায় সকাল ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। এখানকার মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৭ জন।

সুত্র জানায়, এই আসনে ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে এখান থেকে নির্বাচিত হন বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ২০১৮ সালে নির্বাচিত হন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে উপনির্বাচনে জয়ী হন বিএনপির প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ সদর এবং ঢাকা-১৭ আসনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শপথের আগেরদিন তিনি বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেন। শূন্য আসনে উপনির্বাচন তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট পেয়ে হেরে যান জামায়াত প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল।

উপনির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার জায়েদ ইবনে আবুল ফজল জানান, অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উপনির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও কোনো সংঘাত ঘটেনি।