প্রবাসীরা দেশে ফিরলে রমজান পূর্ণ করার নিয়ম
রমজান মাসের রোজা রাখার নিয়মাবলী ইসলামী শরিয়তে নির্দিষ্ট করা রয়েছে। যারা সফরে বা অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন, তারা রোজা রাখতে বাধ্য নন এবং পরবর্তীতে কাজা করে ফেলতে পারবেন। এছাড়া, প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মুসলমানদের জন্য রমজানের রোজা রাখা ফরজ।
এ বিষয়ে আল্লাহ তাআলা বলেন, “তোমাদের মধ্যে যে মাসটিতে উপস্থিত হবে, সে যেন তাতে রোজা রাখে। আর যে অসুস্থ হবে অথবা সফরে থাকবে সে অন্যান্য দিবসে সংখ্যা পূরণ করে নেবে।” (সুরা বাকারা: ১৮৫)
রমজান মাস শুরু হয় নতুন চাঁদ দেখা যাওয়ার মাধ্যমে। এক দেশ থেকে অন্য দেশে রোজা রাখার নিয়মের ক্ষেত্রে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ, কেউ যদি সৌদি আরবে রমজান শুরু করেন এবং পরে বাংলাদেশে চলে যান, তাহলে তিনি বাংলাদেশের মানুষের সাথে শাওয়ালের চাঁদ দেখে ঈদ উদযাপন করবেন। অন্যদিকে, যদি কেউ বাংলাদেশে রমজান শুরু করেন এবং পরে সৌদি আরবে যান, তবে সেখানে শাওয়ালের চাঁদ দেখে ঈদ পালন করবেন।
যদি কোনও ব্যক্তি ৩০টি রোজার মধ্যে ২৯টি রাখেন এবং তার পর চাঁদ দেখা না যায়, তাহলে তিনি ৩০ দিন পূর্ণ করে ঈদ উদযাপন করবেন। তবে, রোজার সংখ্যা যদি ২৯টির কম হয়, তাহলে তিনি সেই দেশে শাওয়ালের চাঁদ দেখার সঙ্গে সঙ্গেই ঈদ উদযাপন করবেন এবং পরবর্তীতে অতিরিক্ত দুটি রোজা রেখে ৩০টি রোজা পূর্ণ করবেন।
এছাড়া, আল্লাহর রাসুল (সা.) চাঁদ দেখে রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং চাঁদ না দেখা যায়, তাহলে ৩০ দিনের পূর্ণতা দেওয়া হয়।