ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে

ঢাকার ৪ আসনে দলীয় প্রধানদের মর্যাদার লড়াই

চেকপোস্ট ডেস্ক::
159

জাতীয় নির্বাচনে সাধারণত ঢাকা আসনগুলোতে রাজনৈতিক দলের প্রধানরা খুব একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহী থাকেন না। নিরাপদ জয় নিশ্চিত করতে তাঁরা নিজের জেলা বা জন্মস্থান বেছে নেন। কিন্তু এবারের নির্বাচনে ঢাকার চারটি আসনে চারটি দলের প্রধান সরাসরি ভোটযুদ্ধে নামায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ঢাকা-১৭ (গুলশান, বনানী, ভাসানটেক) আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, ঢাকা-১৫ (কাফরুল) আসনে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, ঢাকা-১১ (রামপুরা, বাড্ডা, ভাটারা) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি নাহিদ ইসলাম এবং ঢাকা-১৩ (মোহাম্মদপুর, আদাবর) আসনে খেলাফত মজলিসের মাওলানা মামুনুল হক ভোটযুদ্ধে রয়েছেন।

চারটি প্রধান দলের শীর্ষ নেতাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঢাকার আসনগুলোর দিকে সারাদেশের নজর আকর্ষণ করেছে। ঢাকার আসনে জয় বা পরাজয় রাজনৈতিকভাবে ‘প্রেস্টিজ ইস্যু’, তাই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগও লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র-ঢাকা-১৭ তারেক রহমানের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ডা. খালিদুজ্জামান, ঢাকা-১৫ জামায়াতের ডা. শফিকুর রহমান বনাম বিএনপির শফিকুল ইসলাম মিল্টন, ঢাকা-১১ নাহিদ ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ড. এম এ কাইয়ুম এবং ঢাকা-১৩ মাওলানা মামুনুল হক বনাম বিএনপির ববি হাজ্জাজ।

অতীতের জয়-পরাজয়
১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঢাকার দুটি আসনে পরাজিত হন। ২০০৮ সালে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ঢাকা-১৭ আসনে জয়ী হন। ২০১৮ সালে জামায়াতের ডা. শফিকুর রহমান ঢাকা-১৫ আসনে পরাজিত হন।

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ফিরোজ বলেন, ঢাকার আসনে দলীয় প্রধানদের পরাজয় ইমেজ সংকট সৃষ্টি করতে পারে। তবে এবারের নির্বাচনে ভোটারদের আঞ্চলিক সমীকরণ ও গণজোয়ার কীভাবে কাজ করবে, সেটাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ।

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ১১:২৯:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
৬০৮ বার পড়া হয়েছে

রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে

ঢাকার ৪ আসনে দলীয় প্রধানদের মর্যাদার লড়াই

আপডেট সময় ১১:২৯:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
159

জাতীয় নির্বাচনে সাধারণত ঢাকা আসনগুলোতে রাজনৈতিক দলের প্রধানরা খুব একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহী থাকেন না। নিরাপদ জয় নিশ্চিত করতে তাঁরা নিজের জেলা বা জন্মস্থান বেছে নেন। কিন্তু এবারের নির্বাচনে ঢাকার চারটি আসনে চারটি দলের প্রধান সরাসরি ভোটযুদ্ধে নামায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ঢাকা-১৭ (গুলশান, বনানী, ভাসানটেক) আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, ঢাকা-১৫ (কাফরুল) আসনে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, ঢাকা-১১ (রামপুরা, বাড্ডা, ভাটারা) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি নাহিদ ইসলাম এবং ঢাকা-১৩ (মোহাম্মদপুর, আদাবর) আসনে খেলাফত মজলিসের মাওলানা মামুনুল হক ভোটযুদ্ধে রয়েছেন।

চারটি প্রধান দলের শীর্ষ নেতাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঢাকার আসনগুলোর দিকে সারাদেশের নজর আকর্ষণ করেছে। ঢাকার আসনে জয় বা পরাজয় রাজনৈতিকভাবে ‘প্রেস্টিজ ইস্যু’, তাই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগও লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র-ঢাকা-১৭ তারেক রহমানের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ডা. খালিদুজ্জামান, ঢাকা-১৫ জামায়াতের ডা. শফিকুর রহমান বনাম বিএনপির শফিকুল ইসলাম মিল্টন, ঢাকা-১১ নাহিদ ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ড. এম এ কাইয়ুম এবং ঢাকা-১৩ মাওলানা মামুনুল হক বনাম বিএনপির ববি হাজ্জাজ।

অতীতের জয়-পরাজয়
১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঢাকার দুটি আসনে পরাজিত হন। ২০০৮ সালে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ঢাকা-১৭ আসনে জয়ী হন। ২০১৮ সালে জামায়াতের ডা. শফিকুর রহমান ঢাকা-১৫ আসনে পরাজিত হন।

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ফিরোজ বলেন, ঢাকার আসনে দলীয় প্রধানদের পরাজয় ইমেজ সংকট সৃষ্টি করতে পারে। তবে এবারের নির্বাচনে ভোটারদের আঞ্চলিক সমীকরণ ও গণজোয়ার কীভাবে কাজ করবে, সেটাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ।