জলাবদ্ধতা দূরীকরণে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা আলী আজগর লবীর, প্রয়োজনে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হবে

জলাবদ্ধতা দুরীকরনে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা এবং সাধারনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য খুলনা – ৫ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলী আজগর লবীর। জলাবদ্ধতার কারনে বিলডাকাতিয়া ও তার পাশ্ববর্তী এলাকার দুই উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ বছরের অর্ধেক সময় পানি বন্দি হয়ে দুর্ভোগ পোহায়। নির্বাচনে মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিতে প্রধান্য দেবেন। তিনি গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জামায়াত ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ারকে ২ হাজার ৬০৮ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।
আলী আজগর লবী বলেন, জনগনকে দেওয়া আশ্বাসকে প্রাধান্য দেবেন বলে উল্লেখ করেন। নির্বাচন পুর্ব প্রত্যেকটি সভায় তিনি উল্লেখ করেন, আমৃত্যু ডুমুরিয়া, ফুলতলা মানুষের পাশে থাকবেন। প্রসঙ্গ নিয়ে বলেন, টেকসই উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম, আধুনিক মানের রেস্ট হাউজ, আইটি পার্ক নির্মানসহ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের ভাবনা তার। ১৮ দিনের প্রচারাভিযান শেষে বিজয়ের হাসি হেসে কান্ত শরীরে তিনি বলেন, দীর্ঘকাল ধরে ডুমুরিয়া – ফুলতলার দুঃখ বলে খ্যাত বিলডাকাতিয়ায় বসবাস উপযোগী পরিবেশ করতে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হবে।
এখানে ১২ মাস ফসল ফলবে, যাতায়াত ব্যবস্থা উপযোগী হবে, আধুনিক সভ্যতার পরশ পাবে। এখানকার উৎপাদিত সবজি বিদেশে রপ্তানি করে বড় অংকের টাকা চাষিরা আয় করে, এপন্যকে আমদানিকারকদের কাছে আরোও গ্রহণ যোগ্য করতে সংরক্ষণাগার স্থাপন করা হবে। সাদা সোনা বলে পরিচিত চিংড়ির মান বাড়াতে সংরক্ষনাগার ও চাষিদের উৎসাহিত করতে ধারাবাহিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, মতাদর্শ ভুলে সকল আদর্শের মানুষকে সমান সুযোগ এবং একই দৃষ্টিতে দেখা হবে। দলীয় কর্মী, অন্যায়, অবিচার দখল, প্রতিশোধের মানুষিকতা নিয়ে প্রতিপক্ষকে ক্ষতি করলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি ভীন্ন মতাদর্শীদের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।
স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ত্বের প্রতি আস্থা অক্ষুন্ন রাখতে ভিন্নমতের মানুষদের সুচিন্তিত রায়কে তিনি শ্রদ্ধার দৃষ্টিতে স্মরণ করেন। বৃহস্পতিবার বিজয়ের পর থেকে গত শুক্র ও শনিবার প্রায় সারাক্ষন কর্মী সমর্থকদের দ্ধারা বেষ্টিত ছিলেন। শুভ সংবাদের পর থেকে নানাজন তাকে ফুলের মালা, তোড়া মিস্টিমুখ করিয়ে গর্ভবোধ করেন। উল্লেখ্য, ২০০১ সালে খুলনা- ২ আসনে মরহুমা সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে উপ নির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
এ মেয়াদে ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের সভাপতি ছিলেন। তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও খুলনা নগর শাখার আহবায়ক ছিলেন।






















