জনশক্তি রপ্তানিতে পিছিয়ে খুলনা জেলা
দেশের তৃতীয় বৃহত্তম শহর খুলনা জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে অন্যান্য জেলার তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। বাংলাদেশ ম্যানপাওয়ার, এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং ব্যুরো (বিএমইটি)-এর অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোঃ আশরাফ হোসেন বলেছেন, খুলনায় ৪টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থাকলেও এখানকার জনশক্তি রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
তিনি বলেন, “যদি জনগোষ্ঠীকে কর্মমুখী শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তোলা যায়, তাহলে বেকারত্ব ও দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব হবে।” মানবসম্পদ উন্নয়ন ও নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উত্তর খেওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে কয়রার পিছিয়ে পড়া অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় তিনি আরও বলেন, “মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য সঠিক পদক্ষেপ না নিলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। এজন্য প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ করে তুলতে হবে।”
মতবিনিময় সভায় মহারাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কেএম নাজমা পারভীন বলেন, “একটি ভবনের স্থায়িত্ব নির্ভর করে তার ভীতের উপর। তেমনি শিশুদের দক্ষ করে তুলতে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আমরা শিশুদের দুর্বলতা শনাক্ত করে বিশেষ গ্রুপের মাধ্যমে পাঠদান করে থাকি। আজকের মতবিনিময় সভায় এসে আমরা অনেক অনুপ্রেরণা পেয়েছি।”
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুলী বিশ্বাস। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড খুলনার পরিচালক মোঃ শাহীনুজ্জামান, স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (ঢাকা) শিশির মোহাম্মদ বেলাল, কয়রা প্রেসক্লাবের সভাপতি সদর উদ্দিন আহমেদ, কয়রা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মিজানুর রহমানসহ অন্যান্য বিশিষ্টজন।