জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে প্রয়োজনে আবারো রাজপথে নামতে হবে: বকুল
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে অন্তবর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠিত হলেও, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কোনো ব্যাঘাত ঘটলে তা মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল।
গতকাল খুলনা মহানগর বিএনপির উদ্যোগে এক অভিজাত হোটেলে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বকুল বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলনের ফসল হিসেবে স্বৈরাচারী সরকারকে বিদায় দিয়ে আমরা অন্তবর্তীকালীন সরকার পেয়েছি। তাদের প্রধান দায়িত্ব একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া। তবে যদি সংস্কারের নামে জনগণের প্রত্যাশাকে বাধাগ্রস্ত করা হয়, তাহলে আমরা তা মেনে নেব না।”
তিনি আরও বলেন, “ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় আমরা ১৭ বছর সংগ্রাম করেছি, প্রয়োজনে আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হবো।”
বকুল বিএনপির অভ্যন্তরীণ ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, “দলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে। সবাইকে এ বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।” নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “যারা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করবে, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এ্যাড. শফিকুল আলম মনা, এবং পরিচালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন-সবার আগে বাংলাদেশ সংগঠনের বিভাগীয় সমন্বয়ক মুনতাসির মামুন সাজু, বেগম রেহানা ঈসা, শেখ সাদী, মাসুদ পারভেজ বাবু, হাসানুর রশিদ মিরাজ, কেএম হুমায়ুন কবীর, হাফিজুর রহমান মনি, এ্যাড. শেখ মোহাম্মদ আলী বাবু, মর্শিদ কামাল, কাজী মিজানুর রহমান, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, শেখ ইমাম হোসেন, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, নাসির উদ্দিন, জাকির ইকবাল বাপ্পী, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, মতলুবুর রহমান মিতুল।
সভায় আগামী ১১ এপ্রিল খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ কনসার্ট সফল করতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।