ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথ ধামের ভৈরব মন্দির ও ব্যাসকুন্ড পরিদর্শন

মোহাম্মদ হায়দার আলী (এম.এ)::

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা খানম বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট ২০২৫) সীতাকুণ্ড উপজেলার চন্দ্রনাথ ধামের ভৈরব মন্দির ও ব্যাসকুন্ড এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম সানতু, বিপিএম (বার), সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফখরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারবৃন্দ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং মাঠ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

এ সময় জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং বলেন, “চট্টগ্রাম সমগ্র বাংলাদেশে বিভিন্ন সংস্কৃতি ও ধর্মীয় সম্প্রীতির মিলনমেলা। কোন মিথ্যা প্রচারণা বা উস্কানিতে এ সম্প্রীতি নষ্ট হতে দেওয়া হবে না। প্রশাসন, পুলিশ, গণমাধ্যমকর্মী ও সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতায় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একটি সুন্দর ও পর্যটকবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে চাই।”

তার এ বক্তব্যকে ঘিরে স্থানীয় জনসাধারণ ও উপস্থিত প্রশাসনিক কর্মকর্তারা আন্তরিক সমর্থন জানান।

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ১১:২০:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫
৫৩৮ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথ ধামের ভৈরব মন্দির ও ব্যাসকুন্ড পরিদর্শন

আপডেট সময় ১১:২০:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা খানম বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট ২০২৫) সীতাকুণ্ড উপজেলার চন্দ্রনাথ ধামের ভৈরব মন্দির ও ব্যাসকুন্ড এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম সানতু, বিপিএম (বার), সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফখরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারবৃন্দ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং মাঠ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

এ সময় জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং বলেন, “চট্টগ্রাম সমগ্র বাংলাদেশে বিভিন্ন সংস্কৃতি ও ধর্মীয় সম্প্রীতির মিলনমেলা। কোন মিথ্যা প্রচারণা বা উস্কানিতে এ সম্প্রীতি নষ্ট হতে দেওয়া হবে না। প্রশাসন, পুলিশ, গণমাধ্যমকর্মী ও সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতায় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একটি সুন্দর ও পর্যটকবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে চাই।”

তার এ বক্তব্যকে ঘিরে স্থানীয় জনসাধারণ ও উপস্থিত প্রশাসনিক কর্মকর্তারা আন্তরিক সমর্থন জানান।