২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে
খুলনায় যুবলীগ সভাপতির বাড়িতে চাঁদাদাবির অভিযোগ, আটক ৩

খুলনার কয়রা উপজেলার যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলামের নগরীর সোনাডাঙ্গাস্থ বাড়ি থেকে চাঁদাদাবির অভিযোগে তিন যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
গতকাল বিকেলে সোনাডাঙ্গা থানার নেছার উদ্দিন সড়কে অবস্থিত ওই বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ঢাকায় আত্মগোপনে থাকার পর সম্প্রতি এস এম শফিকুল ইসলাম ওই বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।
শফিকুল ইসলামের মেয়ে শাহনাজ পারভীন অভিযোগ করেন, আটক যুবকরা নিজেদের সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে তার বাবার কাছে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। দাবি পূরণ না হলে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে পরিবার পুলিশের সহায়তা চায়।
পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে মেহেদী হাসান মিরাজ, আল নাহিয়ান ও মিরাজ গাজী—এই তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে এনসিপির খুলনা জেলা সমন্বয়কারী মাওলানা মাহমুদুল হাসান ফয়জুল্লাহ বলেন, “আটক ব্যক্তিরা এনসিপি বা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনো কমিটির সঙ্গে যুক্ত নন। অভিযোগ সত্য হলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে একাধিক মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও এস এম শফিকুল ইসলাম কীভাবে দীর্ঘদিন ওই বাড়িতে অবস্থান করছিলেন, সেটিও খতিয়ে দেখা দরকার।”
সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, “দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে চাঁদাবাজির অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ টিম পাঠানো হয়। অভিযুক্তরা বাসা ভাড়া নেওয়ার কথা বলে বাড়িতে প্রবেশ করে পরে ২৫ লাখ টাকা দাবি করে। বিষয়টি তদন্তাধীন।”
তিনি আরও জানান, আটক মেহেদী হাসান মিরাজ নিজেকে এনসিপির সদস্য পরিচয় দিলেও যাচাই করে দেখা গেছে তিনি ওই দলের কোনো পদে নেই।
ওসি আরও বলেন, এস এম শফিকুল ইসলাম একসময় কয়রা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন, তবে বর্তমানে দল থেকে বহিষ্কৃত। তিনি একাধিক মামলার আসামি হলেও সবগুলোতেই জামিনে রয়েছেন এবং বর্তমানে অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন।




















