আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে এবং প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। শুক্রবার (২১ মার্চ) জুমার নামাজ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থেকে তারা মিছিল বের করেন। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক ঘুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে গিয়ে শেষ হয়। এরপর শিক্ষার্থীরা সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।
এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির সাভার প্রতিনিধি ও সিটি ইউনিভার্সিটির বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিরা মিছিলে সংহতি জানিয়ে অংশ নেন।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল বলেন, “প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে বোঝা যায় অন্তর্বতীকালীন সরকার জুলাইয়ের স্পিটকে ধারণ করেনি। দেশের স্বার্থে আওয়ামী লীগকে গণহত্যাকারী দল হিসেবে আখ্যায়িত করে দ্রুত নিষিদ্ধ করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “জেনারেল ওয়াকারকে বলতে চাই, হাসিনার গড়ে ওঠা মসনদ আমরা ৩৬ দিনে ভেঙে দিয়েছি। যদি আপনি তাদের ফেরানোর চেষ্টা করেন, তাহলে আপনাকেও এক মুহূর্ত দেরি না করে দেশ থেকে বিতাড়িত করতে হবে।”
মিছিলে অংশ নিয়ে শাখা শিবিরের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আজ আমাদের চরম দুঃখের দিন। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে আবার রাস্তায় নামতে হচ্ছে। অথচ ৫ আগস্টে জনগণ গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রায় দিয়েছিল বাংলার মাটিতে আওয়ামী লীগ চলবে না। আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করতে দেওয়া মানে শহীদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করা।”
এনসিপির সাভার প্রতিনিধি জুলকারনাইন বলেন, “প্রধান উপদেষ্টাকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিয়ে অতিদ্রুত আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। সেইসঙ্গে জেনারেল ওয়াকারের আওয়ামী লীগকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টার প্রতি আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। তাদের বলতে চাই, গায়ে এক ফোঁটা রক্ত থাকতে আওয়ামী লীগকে বাংলার মাটিতে প্রতিষ্ঠিত করতে দেওয়া হবে না।”