ঢাকা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আদালতের রায়ে সেনেগালের ট্রফি এখন মরক্কোর

চেকপোস্ট ডেস্ক::
11

আফ্রিকান ফুটবলে বড় নাটকীয় মোড় ফাইনালে জয় পাওয়ার পরও শিরোপা হারাতে হলো সেনেগালকে। আপিল রায়ে আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের শিরোপা এখন মরক্কোর হাতে।

গত জানুয়ারিতে রাবাতে অনুষ্ঠিত বিতর্কিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে জয় পেয়েছিল সেনেগাল। কিন্তু কনফেডারেশন অব আফ্রিকান ফুটবল (সিএএফ)-এর আপিল বোর্ড সেই ফল বাতিল করে সেনেগালকে অযোগ্য ঘোষণা করেছে। ফলে নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচটি মরক্কোর পক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জয় হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

১৮ জানুয়ারি রাবাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে স্টপেজ টাইমে। মরক্কোকে একটি পেনাল্টি দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সেনেগালের খেলোয়াড়রা প্রায় ১৫ মিনিট মাঠের বাইরে অবস্থান করেন। দর্শকদের একাংশও মাঠে ঢোকার চেষ্টা করে, পরিস্থিতি আরও বিশৃঙ্খল হয়ে ওঠে।

খেলা পুনরায় শুরু হলে মরক্কোর ফরোয়ার্ড ব্রাহিম দিয়াজের নেওয়া পেনাল্টি রুখে দেন সেনেগালের গোলরক্ষক এদুয়ার্দ মেন্দি। এরপর অতিরিক্ত সময়ে একমাত্র গোল করে ম্যাচ জিতে নেয় সেনেগাল।

এর আগে, সেনেগালের একটি গোল বাতিল নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়। রিপ্লেতে দেখা যায়, আব্দুলায়ে সেকের ফাউলের কারণে গোলটি বাতিল করা হলেও সিদ্ধান্তটি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, কারণ আশরাফ হাকিমির সঙ্গে সংযোগ ছিল খুবই সামান্য।

প্রাথমিকভাবে সিএএফ সেনেগালকে ১০ লাখ ডলারের বেশি জরিমানা করে এবং উভয় দলের কিছু খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাকে নিষিদ্ধ করে। তবে তখন ম্যাচের ফল অপরিবর্তিত ছিল। আপিলে গিয়ে সেই সিদ্ধান্ত পাল্টে দেওয়া হয়।

সিএএফ তাদের নিয়মের ৮২ নম্বর ধারার উল্লেখ করে জানায় কোনো দল ম্যাচ চলাকালে মাঠ ত্যাগ করলে বা খেলতে অস্বীকৃতি জানালে সেটি পরাজিত বলে গণ্য হবে।

রায়ের পর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সেনেগালের খেলোয়াড়রা। মুসা নিয়াখাতে সামাজিক মাধ্যমে ট্রফি হাতে ছবি দিয়ে লিখেছেন, নিয়ে যাও তো দেখি, পাগল নাকি! অন্যদিকে এল হাজি মালিক দিওফ একই ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

রয়্যাল মরক্কান ফুটবল ফেডারেশন (এফআএমএফ) জানিয়েছে, তারা কেবল প্রতিযোগিতার নিয়ম প্রয়োগের অনুরোধ করেছিল। খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সকে খাটো করা তাদের উদ্দেশ্য ছিল না।

ট্যাগস :

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ১২:৩৪:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
৫০৬ বার পড়া হয়েছে

আদালতের রায়ে সেনেগালের ট্রফি এখন মরক্কোর

আপডেট সময় ১২:৩৪:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
11

আফ্রিকান ফুটবলে বড় নাটকীয় মোড় ফাইনালে জয় পাওয়ার পরও শিরোপা হারাতে হলো সেনেগালকে। আপিল রায়ে আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের শিরোপা এখন মরক্কোর হাতে।

গত জানুয়ারিতে রাবাতে অনুষ্ঠিত বিতর্কিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে জয় পেয়েছিল সেনেগাল। কিন্তু কনফেডারেশন অব আফ্রিকান ফুটবল (সিএএফ)-এর আপিল বোর্ড সেই ফল বাতিল করে সেনেগালকে অযোগ্য ঘোষণা করেছে। ফলে নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচটি মরক্কোর পক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জয় হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

১৮ জানুয়ারি রাবাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে স্টপেজ টাইমে। মরক্কোকে একটি পেনাল্টি দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সেনেগালের খেলোয়াড়রা প্রায় ১৫ মিনিট মাঠের বাইরে অবস্থান করেন। দর্শকদের একাংশও মাঠে ঢোকার চেষ্টা করে, পরিস্থিতি আরও বিশৃঙ্খল হয়ে ওঠে।

খেলা পুনরায় শুরু হলে মরক্কোর ফরোয়ার্ড ব্রাহিম দিয়াজের নেওয়া পেনাল্টি রুখে দেন সেনেগালের গোলরক্ষক এদুয়ার্দ মেন্দি। এরপর অতিরিক্ত সময়ে একমাত্র গোল করে ম্যাচ জিতে নেয় সেনেগাল।

এর আগে, সেনেগালের একটি গোল বাতিল নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়। রিপ্লেতে দেখা যায়, আব্দুলায়ে সেকের ফাউলের কারণে গোলটি বাতিল করা হলেও সিদ্ধান্তটি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, কারণ আশরাফ হাকিমির সঙ্গে সংযোগ ছিল খুবই সামান্য।

প্রাথমিকভাবে সিএএফ সেনেগালকে ১০ লাখ ডলারের বেশি জরিমানা করে এবং উভয় দলের কিছু খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাকে নিষিদ্ধ করে। তবে তখন ম্যাচের ফল অপরিবর্তিত ছিল। আপিলে গিয়ে সেই সিদ্ধান্ত পাল্টে দেওয়া হয়।

সিএএফ তাদের নিয়মের ৮২ নম্বর ধারার উল্লেখ করে জানায় কোনো দল ম্যাচ চলাকালে মাঠ ত্যাগ করলে বা খেলতে অস্বীকৃতি জানালে সেটি পরাজিত বলে গণ্য হবে।

রায়ের পর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সেনেগালের খেলোয়াড়রা। মুসা নিয়াখাতে সামাজিক মাধ্যমে ট্রফি হাতে ছবি দিয়ে লিখেছেন, নিয়ে যাও তো দেখি, পাগল নাকি! অন্যদিকে এল হাজি মালিক দিওফ একই ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

রয়্যাল মরক্কান ফুটবল ফেডারেশন (এফআএমএফ) জানিয়েছে, তারা কেবল প্রতিযোগিতার নিয়ম প্রয়োগের অনুরোধ করেছিল। খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সকে খাটো করা তাদের উদ্দেশ্য ছিল না।