ঢাকা ০৩:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আইনমন্ত্রী আমাকে মিসকোট করেছেন: শফিকুর রহমান

চেকপোস্ট ডেস্ক::
9

জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশের ওপর জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিধি ৬২ আলোচনাকালে আইনমন্ত্রী বক্তৃতায় সংসদের বিরোধী দলের নেতার বক্তব্যকে মিসকোট করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন শফিকুর রহমান।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাতে জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এই অভিযোগ করেছেন।

তিনি বলেন, সরকারি দল থেকে একটি কমিটি গঠনের প্রশ্ন আসছে। এটা আসলে আমাকে যখন বক্তব্য দ্বিতীয়বারের মতো দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় তখন আমরা বলেছি যে, আমরা তো এখানে সংকট নিরশন করতে এসেছি। সংকট তৈরি করতে এসেছি। আমরা সমস্যার সমাধান চাই। এখন কিন্তু বিষয়টা একটা সমস্যার মধ্যে ঢুকে গেছে।

শফিকুর রহমান বলেছেন, সংস্কার পরিষদ এবং পরিষদের সভা আহ্বান সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে কোনো সংস্কার বিষয়ক কমিটি গঠন করা হয় তাহলে আমরা এটা ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করার সুবিধা আছে। সেখানে উভয় পক্ষ থেকে যদি সমান সংখ্যক সদস্য না থাকে, সংসদ সদস্যদের অনুপাত হারে যদি সেখানে সদস্য নির্ধারণ করা হয় তাহলে সেখান থেকে ভালো কোনো আউটকাম আসার সম্ভাবনা নেই। আমরা এই প্রস্তাব নমনীয়ভাবে দেখার পর আইনমন্ত্রী বক্তৃতায় উঠে আমাকে মিসকোর্ড করেছেন। বলেছেন যে, উনারা যেভাবে সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রস্তাব দিয়েছেন আমি সেটা গ্রহণ করেছি। আসলে আমরা সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত কোনো প্রস্তাবে আমরা মতামত দেইনি। আমরা বলেছি বিষয়টা সংবিধান সংস্কার। এখানে আশা করি ভুল বোঝাবুঝি হবে না। কারণ আমার বক্তব্য স্পষ্ট ছিল, কোনো অস্পষ্টতা ছিল না।

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা বলেন, পরে আমরা এই বিষয়টা ক্লারিফাই করতে চাইলাম। তখন আলোচনার কর্মঘণ্টা শেষ। স্পিকার এই ব্যাপারে বললেন, আজকের আলোচনা এখানে সমাপ্ত। আমি যখন বললাম আমাদের তো কৈফত আছে, উনি বললেন কালকে এটা আমরা সুযোগ দেব। এইভাবে বিষয়টা আপাতত এসে দাঁড়িয়েছে। আমরা কালকে এই বিষয়ে আরো যদি কথা বলার সুযোগ পাই আপনারা জানবেন, দেখবেন। আপনাদেরও সহযোগিতা চাই।

তিনি বলেন, প্রথম দিনেই বলেছি, আমাদের ভূমিকা হবে গঠনমূলক। দেশের স্বার্থে, জাতির স্বার্থে যে জায়গায় সরকারি দল ভালো উদ্যোগ নেবে আমরা সমর্থন দেব, সহযোগিতা দেব। যদি দেশের মানুষের অধিকার পূর্ণ না হয়, স্বার্থ বিনষ্ট হয়, তাহলে আমরা সেখানে কিন্তু প্রতিবাদ করব, বাধা দেব। প্রয়োজনে প্রতিরোধ করবো। এটা ছিল আমাদের নীতি।

ট্যাগস :

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ০১:২৩:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
৫০৫ বার পড়া হয়েছে

আইনমন্ত্রী আমাকে মিসকোট করেছেন: শফিকুর রহমান

আপডেট সময় ০১:২৩:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
9

জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশের ওপর জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিধি ৬২ আলোচনাকালে আইনমন্ত্রী বক্তৃতায় সংসদের বিরোধী দলের নেতার বক্তব্যকে মিসকোট করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন শফিকুর রহমান।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাতে জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এই অভিযোগ করেছেন।

তিনি বলেন, সরকারি দল থেকে একটি কমিটি গঠনের প্রশ্ন আসছে। এটা আসলে আমাকে যখন বক্তব্য দ্বিতীয়বারের মতো দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় তখন আমরা বলেছি যে, আমরা তো এখানে সংকট নিরশন করতে এসেছি। সংকট তৈরি করতে এসেছি। আমরা সমস্যার সমাধান চাই। এখন কিন্তু বিষয়টা একটা সমস্যার মধ্যে ঢুকে গেছে।

শফিকুর রহমান বলেছেন, সংস্কার পরিষদ এবং পরিষদের সভা আহ্বান সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে কোনো সংস্কার বিষয়ক কমিটি গঠন করা হয় তাহলে আমরা এটা ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করার সুবিধা আছে। সেখানে উভয় পক্ষ থেকে যদি সমান সংখ্যক সদস্য না থাকে, সংসদ সদস্যদের অনুপাত হারে যদি সেখানে সদস্য নির্ধারণ করা হয় তাহলে সেখান থেকে ভালো কোনো আউটকাম আসার সম্ভাবনা নেই। আমরা এই প্রস্তাব নমনীয়ভাবে দেখার পর আইনমন্ত্রী বক্তৃতায় উঠে আমাকে মিসকোর্ড করেছেন। বলেছেন যে, উনারা যেভাবে সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রস্তাব দিয়েছেন আমি সেটা গ্রহণ করেছি। আসলে আমরা সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত কোনো প্রস্তাবে আমরা মতামত দেইনি। আমরা বলেছি বিষয়টা সংবিধান সংস্কার। এখানে আশা করি ভুল বোঝাবুঝি হবে না। কারণ আমার বক্তব্য স্পষ্ট ছিল, কোনো অস্পষ্টতা ছিল না।

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা বলেন, পরে আমরা এই বিষয়টা ক্লারিফাই করতে চাইলাম। তখন আলোচনার কর্মঘণ্টা শেষ। স্পিকার এই ব্যাপারে বললেন, আজকের আলোচনা এখানে সমাপ্ত। আমি যখন বললাম আমাদের তো কৈফত আছে, উনি বললেন কালকে এটা আমরা সুযোগ দেব। এইভাবে বিষয়টা আপাতত এসে দাঁড়িয়েছে। আমরা কালকে এই বিষয়ে আরো যদি কথা বলার সুযোগ পাই আপনারা জানবেন, দেখবেন। আপনাদেরও সহযোগিতা চাই।

তিনি বলেন, প্রথম দিনেই বলেছি, আমাদের ভূমিকা হবে গঠনমূলক। দেশের স্বার্থে, জাতির স্বার্থে যে জায়গায় সরকারি দল ভালো উদ্যোগ নেবে আমরা সমর্থন দেব, সহযোগিতা দেব। যদি দেশের মানুষের অধিকার পূর্ণ না হয়, স্বার্থ বিনষ্ট হয়, তাহলে আমরা সেখানে কিন্তু প্রতিবাদ করব, বাধা দেব। প্রয়োজনে প্রতিরোধ করবো। এটা ছিল আমাদের নীতি।