অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে দেশ ছাড়লেন বিসিবি সভাপতি বুলবুল

নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহনের ঠিক আগমূহুর্তে দেশ ছাড়লেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। অস্ট্রেলিয়ায় পরিবারের কাছে ছুটিতে গেছেন তিনি। পরিচালকদের বলে গেছেন, দেশে ফিরবেন দ্রুত। তবে নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী নিয়োগের পর বিসিবির বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের উপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। অন্যদিকে প্রধান নির্বাচকের পদে চুক্তি বাড়াতে অনাগ্রহ জানিয়েছেন গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।
এবার আর কোন গুজব নয়, দেশ ছেড়ে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমালেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। কবে ফিরবেন সেটাও নিশ্চিত নয়। অন্তবর্তী সরকারের সময় তীব্র সমালোচনার মাঝে দায়িত্ব পালন করেছেন বুলবুল। কদিন আগেও একবার তাঁর দেশ ছাড়ার গুঞ্জন ওঠেছিল, তবে সেবার থেকে গেছেন।
এবারও যে একেবারে চলে গেলেন, তা এখনো বলা যাচ্ছে না। যাওয়ার আগে পরিচালকদের জানিয়ে গেছেন, দ্রুতই ফিরবেন, সবাইকে ঠিক মতো কাজ চালিয়ে নিতেও বলেছেন।
তবে প্রশ্ন উঠছে, কেন এমন সময় দেশ ছাড়লেন বিসিবি সভাপতি? যখন তাঁর থাকার কথা বোর্ডে, নতুন সরকার দায়িত্ব নিলে নতুন ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনারও বিষয় আছে, সেসব ছেড়ে এই সময়ে কেন গেলেন অস্ট্রেলিয়া? তবে কি দৃশ্যপটের বাইরে থাকাকেই বেছে নিলেন?
বিসিবিতে যে নির্বাচনের মাধ্যমে বুলবুল সভাপতি হয়েছেন, সেটা বেশ বিতর্কিত। ফলে বিসিবির বিষয়ে নতুন সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি কী হবে সেটার উপর হয়তো বুলবুলের ফেরা-না ফেরা নির্ভর করবে। ক্রীড়াঙ্গনের অনেকেই বলছেন, তিনি আর ফিরবেন না।
এর বাইরে বিসিবিতে আরও একটা বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। দল গঠন নিয়ে সমালোচনায় থাকা প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ লিপুও জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি লম্বা সময়ের জন্য কাজ করতে চান না। এক বছর বা এরও কম সময়ের চুক্তিতে থাকতে চান। তবে পারিবারিক কারণে ছুটি দরকার হলে বোর্ডকে সেটা দিতে হবে – এমন শর্ত দিয়ে রেখেছেন তিনি।
জাতীয় দলের নির্বাচকের দায়িত্ব এতে শর্ত দিয়ে পালন করা কতটা সম্ভব, বা আদৌ সম্ভব কি না, সে নিয়ে বিতর্ক হওয়ারই কথা। সেটা লিপু নিজেও জানেন। তাতে আবারও সংকটে নির্বাচক প্যানেল। হাসিবুল হোসেন শান্ত দ্রুত হয়ে যাচ্ছে একা। কারণ চলতি মাসেই শেষ হবে প্রধান নির্বাচকের চুক্তি।
নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী দায়িত্ব নেয়ার পর বিসিবিতে আরও অনেক পরিবর্তন আসার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

























