দুই জাহাজ থেকে তেল খালাসের পর দুই হাজার টন উধাও
দুদকের তদন্তে চট্টগ্রামের তেল খালাসে অস্বাভাবিক ঘাটতি

চট্টগ্রামে সরকারি তেল খালাসের সময় প্রায় পৌনে ১৪ কোটি টাকা মূল্যের ক্রুড অয়েল উধাও হওয়ার অভিযোগে দুদক (দুর্নীতি দমন কমিশন) ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি এবং বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনে (বিএসসি) অভিযান চালিয়েছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর সহকারী পরিচালক সাঈদ মোহাম্মদ এমরানের নেতৃত্বে একটি তদন্ত টিম ইস্টার্ন রিফাইনারিতে গিয়ে খালাস, পরিমাপ ও সংরক্ষণ সংক্রান্ত নথিপত্র সংগ্রহ ও যাচাই করেছে।
বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন সূত্র জানায়, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আমদানি করা দুটি জাহাজে মোট দুই লাখ ৯ হাজার ৫৮৪ দশমিক ৯০ টন ক্রুড অয়েল ছিল। খালাসের পর ইস্টার্ন রিফাইনারির উপকূলীয় ট্যাঙ্কে পরিমাপ করা মাত্র দুই লাখ সাত হাজার ২২১ দশমিক ৯৪৬ টন, অর্থাৎ প্রায় দুই হাজার ৩৬২ দশমিক ১৪৪ টন তেলের হিসাব মিলছে না। এর বাজার মূল্য প্রায় পৌনে ১৪ কোটি টাকা।
দুদক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের উপ-পরিচালক সুবেল আহমেদ জানান, “সরকারি তেল খালাসের সময় বড় ধরনের ঘাটতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা মিললে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হবে এবং পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তদন্তের আওতায় ইস্টার্ন রিফাইনারি ও বিএসসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, পরিমাপ পদ্ধতি, পাইপলাইন ট্রান্সফার সিস্টেম এবং সার্ভে রিপোর্ট খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও ফৌজদারি মামলা হতে পারে।
ঘটনাটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।




















