দিনাজপুরে মাইনুল আলমের সমর্থনে মহিলা জামায়াতের বিশাল নির্বাচনী মিছিল

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে ১১ দলীয় জোট ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাইনুল আলমের সমর্থনে দিনাজপুরে মহিলা জামায়াতের উদ্যোগে এক বিশাল নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দিনাজপুর জেলা মহিলা বিভাগের আয়োজনে এ নির্বাচনী মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল সাড়ে ৩টায় শহরের পাহাড়পুরস্থ জেলা জামায়াত কার্যালয় থেকে মিছিলটি শুরু হয়। প্রায় চার শতাধিক নারী কর্মীর অংশগ্রহণে মিছিলটি দিনাজপুর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট লিলির মোড় ও হাসপাতাল মোড় অতিক্রম করে দিনাজপুর বড় মাঠে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিল চলাকালে অংশগ্রহণকারী নারী কর্মীরা জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাইনুল আলমের পক্ষে এবং ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের সমর্থনে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পুরো মিছিল জুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যাপক জনসংযোগ কার্যক্রম।
নির্বাচনী মিছিলে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগের জেলা সেক্রেটারি মোছাঃ মোস্তাকিমা বেগম এবং অঞ্চল মহিলা বিভাগের টিম সদস্যা আফরোজা বেগম।
মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অ্যাডভোকেট মাইনুল আলমকে বিজয়ী করে দিনাজপুর-৩ আসন উপহার দিতে মহিলা বিভাগ সর্বাত্মকভাবে মাঠে থাকবে। ভোটের মাঠে মহিলা বিভাগের সরব উপস্থিতিই জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক শক্তির প্রমাণ দেবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নেতৃবৃন্দ নির্বাচনী প্রচারণায় কর্মীদের আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, প্রত্যেক কর্মীকে বিনয় ও নম্রতার সঙ্গে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাইতে হবে। কারও সঙ্গে কোনো ধরনের উগ্র আচরণ করা যাবে না। ইসলামী মূল্যবোধ বজায় রেখে মানুষের মন জয় করে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিভাগের জেলা টিম সদস্য নার্গিস আরা বেগম ও আজিফা খানম, দিনাজপুর শহর ও সদর মহিলা বিভাগের টিম সদস্যা রিফাত সালেহীন, মুন্নিয়ারা, শাহনাজ পারভীন, লুৎফুন নাহার, শেফালী বেগম, শাপলা বেগমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
মিছিলে জেলা, শহর ও বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। নির্বাচনী এই তৎপরতাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মহিলা নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।


























