প্রিন্ট এর তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
নাসিরনগরে নিখোঁজের চার দিন পর পুকুরে মিলল গৃহবধূর হাত-পা বাঁধা মরদেহ
মোঃ শরীফ উদ্দিন,, নাসিরনগর প্রতিনিধি:: ||
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে নিখোঁজের চার দিন পর বাড়ির পাশের পুকুর থেকে রত্না দাস (৩০) নামে এক গৃহবধূর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার ভলাকুট ইউনিয়নের খাগালিয়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহত রত্না দাস খাগালিয়া গ্রামের কুড়েরহাটির সুশীল দাসের স্ত্রী। তিনি সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের মধ্যপাড়া গ্রামের মহল্লাল দাসের মেয়ে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন রত্না দাস। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান না পেয়ে পরদিন রোববার (১৮ অক্টোবর) নাসিরনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাঁর স্বামী সুশীল দাস।বুধবার বিকেলে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের পুকুরে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। পরে স্বজনেরা মরদেহটি রত্না দাসের বলে শনাক্ত করেন।টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের পর হত্যার অভিযোগনিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করার পর দুর্বৃত্তরা রত্নার হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে পুকুরে ফেলে হত্যা করেছে। ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে একা ছিলেন বলেও পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।নিহতের দেবর বলরাম দাস বলেন, আমার বৌদি ঘরে একা ঘুমাতেন। দুর্বৃত্তরা সবকিছু লুট করে নিয়ে তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।নিহতের মামা বিনোদ দাস বলেন, আমার ভাগ্নিকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।এদিকে, ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী সুশীল দাসের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবার। তবে শুধু এ তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।তদন্ত করছে পুলিশভলাকুট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রুবেল মিয়া জানান, খবর পেয়ে তিনি পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন।নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরি
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ
কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত