প্রিন্ট এর তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন ঘাঁটি বাড়াতে ট্রাম্পের চুক্তি
চেকপোস্ট নিউজ, ||
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও খনিজ সম্পদসমৃদ্ধ গ্রিনল্যান্ডকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের মধ্যে নতুন সমঝোতা হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এবং গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইয়েন্স-ফ্রেডেরিক নিয়েলসেন একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তিতে সই করেন। চুক্তিটির আওতায় গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিদ্যমান পিতুফিক স্পেস বেসের পাশাপাশি নরসারসুয়াক ও মেস্টারসভিগে দুটি নতুন সামরিক স্থাপনা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। আর্কটিক ও উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার এবং ন্যাটোর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোকে চুক্তির অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তবে এই চুক্তির মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে পরিণত হচ্ছে না। ট্রাম্প এর আগে দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলেও ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পক্ষ থেকে তাদের সার্বভৌমত্ব ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার রক্ষার অবস্থান জানানো হয়েছিল। নতুন চুক্তির ক্ষেত্রেও ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড বলেছে, তাদের সার্বভৌমত্ব ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার বজায় থাকবে। গ্রিনল্যান্ডের ভৌগোলিক অবস্থান আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। রাশিয়া ও চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রেক্ষাপটে অঞ্চলটিতে মার্কিন ও ন্যাটোর সামরিক উপস্থিতি জোরদারের বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। ডেনমার্কের ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন চুক্তির মাধ্যমে আর্কটিক নিরাপত্তায় ন্যাটোর সম্মিলিত ভূমিকা আরও জোরদার হবে।
চুক্তি স্বাক্ষরের পর মেটে ফ্রেডেরিকসেন এটিকে যুক্তরাষ্ট্র, গ্রিনল্যান্ড, ডেনমার্ক ও ন্যাটোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা হিসেবে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইয়েন্স-ফ্রেডেরিক নিয়েলসেনের বক্তব্য অনুযায়ী, চুক্তিতে গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার স্বীকৃত হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ
কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত