প্রিন্ট এর তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হাত ভাঙার কষ্ট উপেক্ষা করে মানুষের সেবায় প্যানেল চেয়ারম্যান
ছাইম খান, , গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:: ||
হাত ভাঙার পরও শারীরিক কষ্ট উপেক্ষা করে টানা ১৫ দিন ইউনিয়ন পরিষদে অফিস করেছেন গোপালগঞ্জের বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী। তাঁর এমন দায়িত্বশীলতা ও সাধারণ মানুষের প্রতি আন্তরিকতার প্রশংসা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।সরেজমিনে বর্ণি ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা যায়, হাত ভাঙার পরও নিয়মিত পরিষদে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা শুনছেন প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের সেবা কার্যক্রমেও সময় দিচ্ছেন তিনি।এলাকাবাসী জানান, জন্মনিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, নাগরিক সনদসহ বিভিন্ন সেবা নিতে ইউনিয়ন পরিষদে আসা মানুষ প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর ও অন্যান্য কাজে তাঁর সহযোগিতা পাচ্ছেন। শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও টানা ১৫ দিন পরিষদে উপস্থিত থেকে মানুষের সেবা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি।স্থানীয়দের দাবি, বর্ণি ইউনিয়নের মানুষের সুখে-দুঃখে ও বিপদে-আপদে প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সীকে পাশে পাওয়া যায়। নিজের শারীরিক কষ্টের কথা না ভেবে পরিষদে এসে সাধারণ মানুষের সেবা দেওয়ায় তাঁর প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেকেই।এ বিষয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান সামাদ মুন্সী বলেন, আমি প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই চেষ্টা করে আসছি মানুষের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার। আমি চাই, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষ যেন আমাকে ভালোভাবে মনে রাখে। একজন চেয়ারম্যান সবার চোখে ভালো হতে পারেন না, তারপরও আমি আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করি।তিনি আরও বলেন, হাত ভাঙার পর শারীরিকভাবে কিছুটা কষ্ট হচ্ছে। তারপরও সাধারণ মানুষ যেন ইউনিয়ন পরিষদে এসে সেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সে জন্য নিয়মিত অফিস করার চেষ্টা করেছি। যতদিন দায়িত্বে আছি, ততদিন মানুষের পাশে থেকে সেবা করে যেতে চাই।স্থানীয়রা বলেন, জনপ্রতিনিধিদের মূল দায়িত্বই হলো জনগণের পাশে থাকা। শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত থেকে মানুষের সেবা দেওয়ার এমন উদ্যোগ জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ববোধের একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে পারে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ
কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত