প্রিন্ট এর তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
সৈয়দপুরে চাকু দিয়ে ফুটবল কাটার অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
শাহজাহান আলী মনন, , সৈয়দপুর প্রতিনিধি:: ||
নীলফামারীর সৈয়দপুরে শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পড়া ফুটবল চাকু দিয়ে কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং অসদাচরণ ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগের ঘটনায় বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছে সাতপাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা।মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে শিক্ষার্থীরা সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহা ফাতেহা তাকমিলার কাছে একটি স্মারকলিপি দেয়।শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে সাতপাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছেলে ও মেয়েদের দুটি দল গঠনের জন্য কয়েকদিন ধরে বিদ্যালয় মাঠে অনুশীলন চলছিল। গত ১৬ আগস্ট অনুশীলনের সময় একটি ফুটবল পাশের সাতপাই বেলপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পড়ে।ওই সময় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করছিলেন সহকারী শিক্ষক জয়নব। শিক্ষার্থীরা বলটি আনতে গেলে তাদের সামনেই তিনি ব্যাগ থেকে চাকু বের করে ফুটবলটি কেটে ফেলেন বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করলে ওই শিক্ষিকা ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং বল কাটার বিষয়ে তাদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। পরে বিষয়টি সাতপাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মিহির রায়কে জানানো হলে তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়ে ওই শিক্ষিকার কাছে যান। শিক্ষার্থীদের দাবি, এ সময় মিহির রায়ের সঙ্গেও অসদাচরণ করা হয়।শিক্ষার্থীদের আরও অভিযোগ, ঘটনার ভিডিও ধারণ করে পরে ওই শিক্ষিকা থানায় গিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। নিজের নিরাপত্তা নিয়েও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেন তিনি।এদিকে, শিক্ষিকার অভিযোগের পর নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরে শিক্ষার্থীরাও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি দেয়। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন শিক্ষার্থী বর্ষা আখতার, তাসফিকা, নিরব ও জাবের।এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানান, শিক্ষিকা জয়নব শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে নিজের নিরাপত্তার আশঙ্কা করে লিখিত আবেদন করেছেন। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহা ফাতেহা তাকমিলা বলেন, ঘটনার বিষয়ে সহকারী শিক্ষক জয়নবের আবেদন আগে পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার শিক্ষার্থীরাও স্মারকলিপি দিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য উপজেলা মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।অভিযুক্ত শিক্ষিকা জয়নবের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ
কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত