প্রিন্ট এর তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
ইউএনও জনি রায়ের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেল দশম শ্রেণির ছাত্রী
মোঃ শরীফ উদ্দিন, , সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:: ||
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) হস্তক্ষেপে ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে।বুধবার দুপুরে উপজেলা সদর ইউনিয়নের একটি গ্রামে ওই কিশোরীর বাড়িতে গিয়ে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।জানা গেছে, কিশোরীটি ময়মনসিংহ শহরের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার সঙ্গে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ২০ বছর বয়সী এক তরুণের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। এ উপলক্ষে বাড়িতে বরযাত্রী ও অতিথিদের আপ্যায়নের প্রস্তুতিও চলছিল।বাল্যবিবাহের খবর পেয়ে বুধবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে কিশোরীর বাড়িতে উপস্থিত হন ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনি রায়, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীন মোহাম্মদ এবং ধর্মপাশা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুবায়ের পাশা হিমু।তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়ের আয়োজনের সত্যতা পান। পরে পরিবারের সদস্যদের বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর দিক ও এর আইনগত পরিণতি সম্পর্কে বুঝিয়ে বিয়ে বন্ধ করতে রাজি করান।এ সময় কিশোরীর মা লিখিতভাবে অঙ্গীকার করেন, মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে তার বিয়ে দেবেন না।ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনি রায় বলেন, বাল্যবিবাহ একটি অপরাধ। ধর্মপাশা থানা পুলিশ, স্থানীয় মানুষ ও সাংবাদিকসহ সবার সহযোগিতায় বাল্যবিবাহটি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
প্রশাসনের এ উদ্যোগে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে পরিবার ও সমাজের সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ
কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত