প্রিন্ট এর তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
নেছারাবাদে ১১ শিক্ষকের স্কুলে ২ বছরে দুই ছাত্রী পাস
চেকপোস্ট নিউজ:: ||
বর্তমানে সেখানে ১১ জন শিক্ষক, একজন ক্লার্ক ও একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী রয়েছেন। শিক্ষক-কর্মচারী মিলিয়ে মোট ১৩ জন। তাদের বেতন-ভাতা বাবদ সরকারকে প্রতি মাসে ৩ লাখ টাকার বেশি ব্যয় করতে হয়।পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের মৈশানী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১১ জন শিক্ষক কর্মরত থাকা সত্ত্বেও পরপর দুই বছর এসএসসি পরীক্ষায় চরম ফল বিপর্যয় ঘটেছে। এ বছর বিদ্যালয়টি থেকে ১১ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছেন মাত্র একজন। এর আগে ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দেও ৮ জন ছাত্রী পরীক্ষা দিয়ে মাত্র একজন উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। ১১ জন শিক্ষক থাকার পরও এমন হতাশাজনক ফলাফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর বিদ্যালয়টির শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও কার্যকর কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। বিদ্যালয়ে কাগজে-কলমে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী থাকলেও নিয়মিত ক্লাসে পাঁচ-ছয়জনের বেশি শিক্ষার্থী দেখা যায়নি কখনো। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির পাশাপাশি শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি ও পাঠদান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।সমুদয়কাঠি ইউনিয়নে অবস্থিত বিদ্যালয়টি এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে চলে আসছে। দীর্ঘ দিনেও বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার মানের দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে সেখানে ১১ জন শিক্ষক, একজন ক্লার্ক ও একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী রয়েছেন। শিক্ষক-কর্মচারী মিলিয়ে মোট ১৩ জন। তাদের বেতন-ভাতা বাবদ সরকারকে প্রতি মাসে ৩ লাখ টাকার বেশি ব্যয় করতে হয়। স্থানীয়দের প্রশ্ন, ১১ জন শিক্ষক থাকার পরও এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজন কেন পাস করছেন? শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা, পড়াশোনায় আগ্রহী করা এবং পাঠদানের মান নিশ্চিত করার দায়িত্ব কার—এ প্রশ্নও তুলেছেন তারা।বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পর্ষিয়া রানী হালদার বলেন, চলতি বছর ১১ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। পাস করেছে একজন। গত বছর আটজন পরীক্ষা দিয়ে একজন পাস করেছিল।স্থানীয়রা জানান, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে নিয়মিত আনা ও পড়াশোনায় আগ্রহী করে তোলার দায়িত্ব শুধু শিক্ষার্থীদের নয়; বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকদেরও। দীর্ঘদিন ধরে এমন ফলাফলের কারণ অনুসন্ধানের পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, পাঠদানের মান এবং সরকারি বেতন-ভাতার বিপরীতে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছে।শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিয়োগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ
কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত