প্রিন্ট এর তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের মাঝে জাহাঙ্গীর মিয়া চৌধুরী
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল:: ||
আসন্ন
ইউনিয়ন
পরিষদ
(ইউপি)
নির্বাচনকে সামনে
রেখে
হবিগঞ্জ জেলার
শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ১১নং
ব্রাহ্মণডোরা ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে
নির্বাচনী তৎপরতা
দিন
দিন
বাড়ছে। নির্বাচন কমিশন
এখনো
তফসিল
ঘোষণা
না
করলেও
সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে নিজেদের অবস্থান সুসংহত
করতে
গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা,
উঠান
বৈঠক
ও
সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়
হয়ে
উঠেছেন। এরই
ধারাবাহিকতায় সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও
ব্যবসায়ী মোঃ
জাহাঙ্গীর মিয়া
চৌধুরী
ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম,
পাড়া-মহল্লা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত
গণসংযোগ চালিয়ে
যাচ্ছেন।স্থানীয় সূত্রে
জানা
যায়,
ব্রাহ্মণডোরা ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দা মোঃ
জাহাঙ্গীর মিয়া
চৌধুরী
দীর্ঘদিন ধরে
সমাজসেবা, শিক্ষা
বিস্তার, ধর্মীয়
ও
মানবিক
কর্মকাণ্ড এবং
জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গে
সম্পৃক্ত। এলাকার
অসহায়
ও
দরিদ্র
মানুষের পাশে
দাঁড়ানো, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ,
মাদ্রাসা এবং
সামাজিক সংগঠনের উন্নয়নে সহযোগিতা করায়
তিনি
স্থানীয় মানুষের কাছে
একজন
পরিচিত
ও
গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে
পরিচিতি লাভ
করেছেন।জানা
যায়,
তিনি
২০১৭
এবং
২০২২
সালের
ইউনিয়ন
পরিষদ
নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে
প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নির্বাচনে বিজয়ী
হতে
না
পারলেও
মানুষের পাশে
থাকার
অঙ্গীকার থেকে
তিনি
কখনো
সরে
আসেননি। বরং
নির্বাচনের পরও
এলাকার
উন্নয়ন,
সামাজিক সম্প্রীতি এবং
জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে
আরও
বেশি
সম্পৃক্ত রেখেছেন।গত
কয়েক
মাস
ধরে
তিনি
ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে
গিয়ে
সাধারণ
মানুষের সঙ্গে
মতবিনিময় করছেন।
স্থানীয় মুরব্বি, শিক্ষক,
ইমাম,
কৃষক,
ব্যবসায়ী, যুবসমাজ ও
বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে
কুশল
বিনিময়ের পাশাপাশি তাদের
সমস্যা,
সম্ভাবনা ও
উন্নয়ন-সংক্রান্ত মতামত শুনছেন। একই
সঙ্গে
মসজিদ,
মাদ্রাসা, কবরস্থান, ঈদগাহ,
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং
গ্রামীণ রাস্তাঘাটের উন্নয়নে ব্যক্তি উদ্যোগে সহযোগিতা করে
মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য,
রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে
সাধারণ
মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার
মানসিকতা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং
দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ডের কারণে
জাহাঙ্গীর মিয়া
চৌধুরী
ইউনিয়নের একজন
শক্তিশালী সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে
আলোচনায় রয়েছেন। বিশেষ
করে
তরুণ
ভোটারদের মধ্যেও
তার
কর্মকাণ্ড নিয়ে
ইতিবাচক আলোচনা
রয়েছে
বলে
একাধিক
সূত্র
জানিয়েছে।এ
বিষয়ে
মোঃ
জাহাঙ্গীর মিয়া
চৌধুরী
বলেন,
"জনসেবাকে আমি
ইবাদত
হিসেবে
মনে
করি।
দীর্ঘদিন ধরে
মানুষের পাশে
থেকে
কাজ
করার
চেষ্টা
করেছি
এবং
ভবিষ্যতেও সেই
ধারা
অব্যাহত রাখতে
চাই।
জনগণ
যদি
আমাকে
তাদের
প্রতিনিধি হিসেবে
দায়িত্ব দেওয়ার
সুযোগ
দেন,
তাহলে
ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া
হবে।"তিনি
আরও
বলেন,
"আমার
লক্ষ্য
হবে
একটি
স্বচ্ছ,
জবাবদিহিমূলক ও
জনবান্ধব ইউনিয়ন
পরিষদ
গড়ে
তোলা।
অবকাঠামোগত উন্নয়ন,
শিক্ষা,
কৃষি,
স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ
পানি,
স্যানিটেশন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুষ্ঠু
বাস্তবায়ন এবং
যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সর্বাত্মকভাবে কাজ
করব।
কোনো
মানুষ
যেন
হয়রানির শিকার
না
হন,
সে
বিষয়েও
বিশেষ
গুরুত্ব দেওয়া
হবে।"তিনি
ইউনিয়নবাসীর কাছে
দোয়া,
সহযোগিতা ও
সমর্থন
কামনা
করে
বলেন,
"আমি
বিশ্বাস করি
জনগণই
সকল
ক্ষমতার উৎস।
তাদের
ভালোবাসা, পরামর্শ ও
সহযোগিতা নিয়েই
একটি
আধুনিক,
উন্নত,
সুশাসনভিত্তিক এবং
সেবামুখী ব্রাহ্মণডোরা ইউনিয়ন
গড়ে
তুলতে
চাই।"এদিকে
ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায়
সম্ভাব্য প্রার্থীদের গণসংযোগ, উঠান
বৈঠক,
সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং
ভোটারদের সঙ্গে
মতবিনিময়ের কারণে
নির্বাচনী আবহ
ধীরে
ধীরে
প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে
পাচ্ছে। স্থানীয়দের ধারণা,
তফসিল
ঘোষণার
পর
এই
তৎপরতা
আরও
বৃদ্ধি
পাবে
এবং
ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গন
আরও
সরব
হয়ে
উঠবে।
তবে
এখনো
ইউনিয়ন
পরিষদ
নির্বাচনের তফসিল
ঘোষণা
করেনি
নির্বাচন কমিশন।
তফসিল
ঘোষণার
পরই
নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র
আরও
স্পষ্ট
হবে
বলে
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও
স্থানীয় সচেতন
মহল
মনে
করছেন।
এরই
মধ্যে
সম্ভাব্য প্রার্থীদের ধারাবাহিক গণসংযোগ ও
জনসম্পৃক্ত কার্যক্রম ইউনিয়নের ভোটারদের মধ্যে
নির্বাচনী আগ্রহ
সৃষ্টি
করেছে
এবং
আগামী
নির্বাচনকে ঘিরে
আলোচনা-পর্যালোচনা ক্রমেই জোরদার হচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ
কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত