প্রিন্ট এর তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
গরমে চাপে গোপালগঞ্জের পোল্ট্রি খাত, কমেছে ডিম উৎপাদন
ছাইম খান, , গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: ||
সাম্প্রতিক তীব্র তাপপ্রবাহ ও ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে গোপালগঞ্জের পোল্ট্রি খাত চাপে পড়েছে। অতিরিক্ত গরমে বিভিন্ন খামারে মুরগির মৃত্যু বেড়েছে, পাশাপাশি ডিমের উৎপাদনও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। তবে ৩০ জুন সন্ধ্যার পর থেকে জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গোপালগঞ্জে প্রায় আড়াই হাজার পোল্ট্রি খামার রয়েছে। এসব খামারে উৎপাদিত ব্রয়লার, লেয়ার ও হাঁসের মাংস এবং ডিম জেলার চাহিদা পূরণের পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।খামারিরা জানান, তীব্র গরমে মুরগি হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকায় জেনারেটর চালিয়ে খামার সচল রাখতে হচ্ছে, এতে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গেলেও বাজারদরে কাঙ্ক্ষিত লাভ মিলছে না। একই সঙ্গে পোল্ট্রি খাদ্যের উচ্চমূল্য তাদের সংকট আরও বাড়িয়ে তুলেছে।লেয়ার খামারিদের দাবি, অতিরিক্ত গরম ও বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে ডিম উৎপাদন ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। উৎপাদন কমলেও পরিচালন ব্যয় কমেনি, ফলে অনেকেই লোকসানের মুখে পড়েছেন।জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, চলমান গরমে জেলার বিভিন্ন খামারে প্রায় ১০ শতাংশ মুরগির মৃত্যু হয়েছে এবং ডিম উৎপাদনও ১০ থেকে ২০ শতাংশ কমেছে। তিনি খামারিদের পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি, স্যালাইন, ঠান্ডা পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং বায়োসিকিউরিটি মেনে চলার পরামর্শ দেন।গোপালগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার জানান, জেলার বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা প্রায় ৯০ মেগাওয়াট। চাহিদার কারণে সীমিত পরিসরে লোডশেডিং করা হলেও ৩০ জুন সন্ধ্যার পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং বর্তমানে কোনো লোডশেডিং হচ্ছে না।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ
কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত