প্রিন্ট এর তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
সংসদে তাহেরের দাবি, ‘আমিও শিশু মুক্তিযোদ্ধা’
চেকপোস্ট নিউজ:: ||
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর নায়েবে আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের নিজেকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তার পরিবার সীমান্ত পাড়ি দেওয়া মানুষদের আশ্রয় দিয়েছে এবং পাকিস্তানি সেনাদের গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেছে।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি করেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।বক্তব্যে তাহের বলেন, “বর্তমানে আমাদের রাজাকার-আলবদর হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা যারা এখানে বসে আছি, আমরা কেউ রাজাকার বা আলবদর ছিলাম না। যদি এভাবে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়, তবে আমিও একজন শিশু মুক্তিযোদ্ধা।”তিনি আরও বলেন, “আমাদের বাড়ি সীমান্তের কাছে ছিল এবং সেটি বেশ বড় ছিল। যারা ভারতে যাওয়ার জন্য সীমান্ত পার হতেন, তারা প্রথমে আমাদের বাড়িতে আশ্রয় নিতেন। আমরা তাদের খাবারের ব্যবস্থা করতাম। পাশাপাশি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর টহল সম্পর্কে নজরদারি করতাম এবং পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে তাদের নিরাপদে সীমান্ত পার করে দিতাম।”এ সময় ‘টু-থার্ড মেজরিটি’ বা দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রভাব নিয়ে সরকারকে সতর্ক করেন তাহের। তিনি বলেন, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস অনেক সময় ঔদ্ধত্যে রূপ নেয়, যা জনগণের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি করতে পারে।তিনি উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের উদাহরণ টেনে ইন্দিরা গান্ধী, বেনজির ভুট্টো, শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়া-এর সময়ের উদাহরণ উল্লেখ করে বলেন, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা সবসময় ইতিবাচক ফল বয়ে আনেনি।
তাহের আরও বলেন, নির্বাচনের আগে ঐক্যমতের কথা বলা হলেও বর্তমানে সংসদে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। তিনি ‘হোস্টাইল এনভায়রনমেন্ট’ বা শত্রুতাপূর্ণ পরিবেশের কথা উল্লেখ করে বলেন, এমন পরিস্থিতি জাতির জন্য হতাশাজনক হতে পারে।
সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ
কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত