প্রিন্ট এর তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
তেল না পেয়ে এমপিরাও সংকটে, মজুতদার ডিলারদের ধরতে পুলিশ ডাকার পরামর্শ মন্ত্রীর
||
জ্বালানি সংগ্রহ করতে গিয়ে সংসদ সদস্যদের (এমপি) অসম্মানিত হওয়া ও সংকটে পড়ার বিষয়টি জাতীয় সংসদে তুলে ধরেছেন পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। একইসঙ্গে তার এলাকায় ডিলারদের কারসাজি করে বাড়িতে লুকিয়ে তেল বিক্রির অভিযোগও তোলেন তিনি।
জবাবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, ডিলাররা লুকিয়ে থাকলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহায্যে তাদের ধরে এনে তেল সরবরাহের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া রাত ৮টায় দোকানপাট বন্ধ রাখার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক সংকটের কারণে গোটা বিশ্বই এখন সাশ্রয়ী হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সপ্তম দিনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সম্পূরক প্রশ্নে সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘গতকালই দেখলাম আমাদের একজন সম্মানিত সংসদ সদস্য জ্বালানি সংগ্রহ করতে গিয়ে কিছুটা অসম্মানিত হয়েছেন। এর আগে আরেকজন সংসদ সদস্য তেল না পেয়ে সংকটে পড়েছিলেন। আমরা ছোটখাটো জনপ্রতিনিধি, দিনে অন্তত ৩০ থেকে ৪০টা ফোন পাচ্ছি।
আমার এলাকা বাউফলে পেট্রল পাম্প না থাকায় ডিলাররা কারসাজি করছেন। তারা দোকান বন্ধ করে দিয়ে নিজেদের বাড়িতে তেল বিক্রি করছেন। সেখানে ম্যাজিস্ট্রেট গেলে তাদের কাউকে পাওয়া যায় না।’
মন্ত্রীর বক্তব্যের বিরোধিতা করে তিনি আরও বলেন, ‘আজকে মন্ত্রী যে কথা বলেছেন, তার সঙ্গে আমাদের এলাকার পরিস্থিতির কোনো মিল নেই।
রাত ৮টার মধ্যে বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দিতে বলা হচ্ছে। আমার এলাকা বাউফলে জ্বালানি সংকটে যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, তা উত্তরণে মন্ত্রণালয় কী পদক্ষেপ নিচ্ছে?’জবাবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের যে মজুত আছে এবং যে এলাকায় প্রতিদিন যতটুকু তেল দেওয়ার কথা, আমরা তা সরবরাহ করছি। সংসদ সদস্য নিজেই বললেন, ডিলাররা ইচ্ছে করে পালিয়ে যাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানালে তারা ওই ডিলারকে ধরে এনে তেল সরবরাহের ব্যবস্থা করতে পারে।’
কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত