প্রিন্ট এর তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
ববিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রশাসনের টালবাহানা, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
||
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রশাসন টালবাহানা করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, ছাত্র সংসদ নির্বাচন শিক্ষার্থীদের একটি মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার হলেও দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুধু আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে, বাস্তবে কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বর্তমান উপাচার্য ছাত্র সংসদ নির্বাচনের কথা বলে শিক্ষার্থীদের শান্ত রাখতে ‘মুলা ঝুলিয়ে রাখার’ মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছেন।
ইনকিলাব মঞ্চ ববি শাখার সদস্য সচিব ইফতেখার সায়েম বলেন, “আমরা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে ফ্যাসিস্ট হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয় বলেই মনে করি। ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষার্থীদের ম্যান্ডেটকে গুরুত্ব না দিয়ে বাকসু নিয়ে টালবাহানা করাটা অনুমেয় ছিল। কারণ বাকসু হলে তাদের পুরোনো সেটআপ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে।”
তিনি আরও বলেন, “তাদের রাজনৈতিক ও আদর্শিক অবস্থানে ভাটা পড়তে পারে বলেই তারা কখনোই বাকসু চায় না। এ বিষয়ে বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।”
ববি ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বলেন, “বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ শিক্ষার্থীদের অধিকার ও দাবি কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক মাধ্যম। এটি নেতৃত্বগুণ বিকাশ ও শিক্ষার্থী–প্রশাসনের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে। কিন্তু উপাচার্য মহোদয় শিক্ষার্থীদের শুধু আশার বাণী শুনিয়ে শান্ত রাখছেন।”
এ বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এই নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ার পেছনে সাংবাদিকদের ভূমিকা রয়েছে। বাকসু নিয়ে আলোচনা হওয়ার সময় বিএম কলেজের পক্ষ থেকে ‘বাকসু’ নাম নিয়ে আপত্তি তোলা হয়েছিল, যা আপনারা সাংবাদিকরা লিখেছেন। এতে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন মহলের নজরে গেছে এবং তারা আশঙ্কা করছেন, এখন নির্বাচন দিলে সমস্যা হতে পারে। তবে কিছুটা দেরি হলেও ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।”
কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত