প্রিন্ট এর তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
গলদা-বাগদা চিংড়ি সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ উপদেষ্টা ফরিদা আখতারের
||
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, বাংলাদেশের গলদা ও বাগদা চিংড়ি আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত পরিচিত ও সমাদৃত। এই মূল্যবান মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ করে পরিকল্পিতভাবে উৎপাদন বাড়াতে হবে। এতে একদিকে যেমন বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বাড়বে, অন্যদিকে টেকসইভাবে এই খাতের উন্নয়ন সম্ভব হবে।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া বড়ডাঙ্গা এলাকায় অবস্থিত সংরক্ষিত চিংড়ি চাষ এলাকা পরিদর্শন শেষে চিংড়ি চাষে সমৃদ্ধ খামারিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে গলদা চিংড়ির চাষ হয় না। সে তুলনায় বাংলাদেশে গলদা চিংড়ির উৎপাদন একটি গৌরবের বিষয়। গলদা ও বাগদা চিংড়ি চাষের মাধ্যমে পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা পূরণ হচ্ছে। একই সঙ্গে নারী ও পুরুষ উভয়ের অংশগ্রহণে এই খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যা পারিবারিক আর্থিক স্বচ্ছলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি আরও বলেন, ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে চিংড়ি খামারিদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
মতবিনিময় সভায় চিংড়ি চাষিরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রস্তাব উপদেষ্টার কাছে তুলে ধরেন। ফরিদা আখতার মনোযোগ সহকারে এসব কথা শোনেন এবং সমস্যাগুলো নিরসনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহকে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সমন্বয় জোরদারের নির্দেশনা দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালক ডা. মো. গোলাম হায়দার, খুলনা বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিসহ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এবং চিংড়ি চাষ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা।
পরবর্তীতে উপদেষ্টা ডুমুরিয়া উপজেলার ধানিবুনিয়া এলাকায় অবস্থিত এস এস ইন্টারন্যাশনাল এগ্রো পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি প্রতিষ্ঠানটির মৎস্য ও প্রাণিসম্পদভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রম, উৎপাদন ব্যবস্থাপনা এবং এ খাতের উন্নয়ন সম্ভাবনা সম্পর্কে অবহিত হন।
কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত