প্রতিদিন দাঁত পরিষ্কার করতে টুথব্রাশ ব্যবহার করলেও কতদিন পর সেটি বদলানো উচিত, তা অনেকেই জানেন না। কেউ ছয় মাস, আবার কেউ এক বছর পর্যন্ত একই ব্রাশ ব্যবহার করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ব্যবহারে ব্রিসল ক্ষয়ে গেলে দাঁত পরিষ্কারের কার্যকারিতা কমে যায়।
আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশনের (ADA) পরামর্শ অনুযায়ী, সাধারণভাবে প্রতি ৩ থেকে ৪ মাস পর টুথব্রাশ বদলানো উচিত। তবে এর আগেই ব্রিসল বেঁকে গেলে, ছড়িয়ে গেলে বা ক্ষয়ে গেলে নতুন ব্রাশ ব্যবহার করা ভালো।
ব্যবহৃত টুথব্রাশে ব্যাকটেরিয়া, লালা ও খাবারের ক্ষুদ্র কণা থাকতে পারে। কিন্তু টুথব্রাশে জীবাণু পাওয়া গেলেই তা মানুষের জন্য ক্ষতিকর এমনটিও প্রমাণিত নয়।
তাই আতঙ্কিত হওয়ার বদলে নিয়মিত ব্রাশ পরিবর্তন, সঠিকভাবে পরিষ্কার করা এবং শুকিয়ে রাখাই গুরুত্বপূর্ণ।
এ ছাড়া শক্ত ব্রিসল দিয়ে বা অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করে দাঁত মাজলে মাড়িতে ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই নরম ব্রিসলের ব্রাশ ব্যবহার এবং অতিরিক্ত চাপ না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
ভেজা ব্রাশ দীর্ঘ সময় বন্ধ পাত্রে রাখলে আর্দ্র পরিবেশ তৈরি হয়, যা জীবাণু বৃদ্ধির সুযোগ বাড়াতে পারে। তাই বাড়িতে ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্রাশ ধুয়ে খোলা বাতাসে শুকিয়ে রাখা ভালো।
পরিবারের অন্য সদস্যের সঙ্গে কখনোই টুথব্রাশ ভাগাভাগি করা উচিত নয়।
ফ্লাশ করার সময় ক্ষুদ্র জলকণা আশপাশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই টুথব্রাশ পরিষ্কার ও শুকনো রাখার দিকে নজর দেওয়া জরুরি।
তবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা ব্যক্তি বা বারবার কোল্ড সোর হওয়া ব্যক্তির ক্ষেত্রে নতুন ব্রাশ ব্যবহারের বিষয়টি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিবেচনা করা যেতে পারে।
সাধারণভাবে দিনে দুইবার, প্রতিবার প্রায় দুই মিনিট ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তাই ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। ৩–৪ মাস পর টুথব্রাশ বদলান, ব্রিসল নষ্ট হলে তার আগেই নতুন ব্রাশ নিন, প্রতিবার ব্যবহারের পর ব্রাশ ধুয়ে শুকিয়ে রাখুন এবং কারও সঙ্গে টুথব্রাশ শেয়ার করবেন না।
সঠিক অভ্যাসই দাঁত ও মাড়িকে সুস্থ রাখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রতিদিন দাঁত পরিষ্কার করতে টুথব্রাশ ব্যবহার করলেও কতদিন পর সেটি বদলানো উচিত, তা অনেকেই জানেন না। কেউ ছয় মাস, আবার কেউ এক বছর পর্যন্ত একই ব্রাশ ব্যবহার করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ব্যবহারে ব্রিসল ক্ষয়ে গেলে দাঁত পরিষ্কারের কার্যকারিতা কমে যায়।
আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশনের (ADA) পরামর্শ অনুযায়ী, সাধারণভাবে প্রতি ৩ থেকে ৪ মাস পর টুথব্রাশ বদলানো উচিত। তবে এর আগেই ব্রিসল বেঁকে গেলে, ছড়িয়ে গেলে বা ক্ষয়ে গেলে নতুন ব্রাশ ব্যবহার করা ভালো।
ব্যবহৃত টুথব্রাশে ব্যাকটেরিয়া, লালা ও খাবারের ক্ষুদ্র কণা থাকতে পারে। কিন্তু টুথব্রাশে জীবাণু পাওয়া গেলেই তা মানুষের জন্য ক্ষতিকর এমনটিও প্রমাণিত নয়।
তাই আতঙ্কিত হওয়ার বদলে নিয়মিত ব্রাশ পরিবর্তন, সঠিকভাবে পরিষ্কার করা এবং শুকিয়ে রাখাই গুরুত্বপূর্ণ।
এ ছাড়া শক্ত ব্রিসল দিয়ে বা অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করে দাঁত মাজলে মাড়িতে ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই নরম ব্রিসলের ব্রাশ ব্যবহার এবং অতিরিক্ত চাপ না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
ভেজা ব্রাশ দীর্ঘ সময় বন্ধ পাত্রে রাখলে আর্দ্র পরিবেশ তৈরি হয়, যা জীবাণু বৃদ্ধির সুযোগ বাড়াতে পারে। তাই বাড়িতে ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্রাশ ধুয়ে খোলা বাতাসে শুকিয়ে রাখা ভালো।
পরিবারের অন্য সদস্যের সঙ্গে কখনোই টুথব্রাশ ভাগাভাগি করা উচিত নয়।
ফ্লাশ করার সময় ক্ষুদ্র জলকণা আশপাশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই টুথব্রাশ পরিষ্কার ও শুকনো রাখার দিকে নজর দেওয়া জরুরি।
তবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা ব্যক্তি বা বারবার কোল্ড সোর হওয়া ব্যক্তির ক্ষেত্রে নতুন ব্রাশ ব্যবহারের বিষয়টি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিবেচনা করা যেতে পারে।
সাধারণভাবে দিনে দুইবার, প্রতিবার প্রায় দুই মিনিট ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
তাই ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। ৩–৪ মাস পর টুথব্রাশ বদলান, ব্রিসল নষ্ট হলে তার আগেই নতুন ব্রাশ নিন, প্রতিবার ব্যবহারের পর ব্রাশ ধুয়ে শুকিয়ে রাখুন এবং কারও সঙ্গে টুথব্রাশ শেয়ার করবেন না।
সঠিক অভ্যাসই দাঁত ও মাড়িকে সুস্থ রাখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
