লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট হামেদিয়া কামিল এমএ মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেনকে ঘিরে অনিয়ম ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের হয়রানির নানা অভিযোগ উঠেছে। কয়েকজন শিক্ষককে নিয়ে অধ্যক্ষ একটি প্রভাবশালী বলয় তৈরি করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বললে শিক্ষক ও কর্মচারীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি ও বঞ্চনার মুখে পড়তে হয়। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে, সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) আবদুস সহিদ শুভ নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত থাকেন না। একদিন অনুপস্থিত থাকার পরও হাজিরা খাতায় তার স্বাক্ষর থাকার অভিযোগও করা হয়েছে। অধ্যক্ষের সহযোগিতায় তিনি নিয়মিত অনুপস্থিত থেকেও বেতন-ভাতা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, আবদুস সহিদ শুভর বাড়ি রংপুরে এবং সেখানে তিনি ‘স্টাডি জোন’ নামে একটি কোচিং সেন্টার পরিচালনা করেন। মাদ্রাসার দায়িত্বে অনিয়মিত উপস্থিতির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিজস্ব কোচিং ও প্রাইভেটে পড়তে উৎসাহিত বা বাধ্য করার অভিযোগও রয়েছে। একই ধরনের অভিযোগ গণিত বিভাগের সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধেও উঠেছে।
এ ছাড়া কয়েকজন শিক্ষক অভিযোগ করেছেন, এসব অনিয়মের বিষয়ে অধ্যক্ষের সহযোগিতা রয়েছে। অধ্যক্ষের ঘনিষ্ঠ হিসেবে সহকারী অধ্যাপক নুরুল হুদার নামও অভিযোগে উঠে এসেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষক বলেন, প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বললে হেনস্তা, হুমকি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হয়। সিন্ডিকেটের বিরোধিতা করায় এক শিক্ষকের টাইম স্কেল দীর্ঘদিন আটকে থাকার অভিযোগও করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পক্ষ থেকে মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদ এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার ভাষ্য, অভিযোগগুলো ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মন্তব্যগুলো দেখলেই বিষয়টির সত্যতা বোঝা যাবে বলেও দাবি করেন।
অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন অভিযোগকারীরা।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট হামেদিয়া কামিল এমএ মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেনকে ঘিরে অনিয়ম ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের হয়রানির নানা অভিযোগ উঠেছে। কয়েকজন শিক্ষককে নিয়ে অধ্যক্ষ একটি প্রভাবশালী বলয় তৈরি করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বললে শিক্ষক ও কর্মচারীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি ও বঞ্চনার মুখে পড়তে হয়। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে, সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) আবদুস সহিদ শুভ নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত থাকেন না। একদিন অনুপস্থিত থাকার পরও হাজিরা খাতায় তার স্বাক্ষর থাকার অভিযোগও করা হয়েছে। অধ্যক্ষের সহযোগিতায় তিনি নিয়মিত অনুপস্থিত থেকেও বেতন-ভাতা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, আবদুস সহিদ শুভর বাড়ি রংপুরে এবং সেখানে তিনি ‘স্টাডি জোন’ নামে একটি কোচিং সেন্টার পরিচালনা করেন। মাদ্রাসার দায়িত্বে অনিয়মিত উপস্থিতির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিজস্ব কোচিং ও প্রাইভেটে পড়তে উৎসাহিত বা বাধ্য করার অভিযোগও রয়েছে। একই ধরনের অভিযোগ গণিত বিভাগের সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধেও উঠেছে।
এ ছাড়া কয়েকজন শিক্ষক অভিযোগ করেছেন, এসব অনিয়মের বিষয়ে অধ্যক্ষের সহযোগিতা রয়েছে। অধ্যক্ষের ঘনিষ্ঠ হিসেবে সহকারী অধ্যাপক নুরুল হুদার নামও অভিযোগে উঠে এসেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শিক্ষক বলেন, প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বললে হেনস্তা, হুমকি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হয়। সিন্ডিকেটের বিরোধিতা করায় এক শিক্ষকের টাইম স্কেল দীর্ঘদিন আটকে থাকার অভিযোগও করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পক্ষ থেকে মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদ এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার ভাষ্য, অভিযোগগুলো ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মন্তব্যগুলো দেখলেই বিষয়টির সত্যতা বোঝা যাবে বলেও দাবি করেন।
অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন অভিযোগকারীরা।
