
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের বামুলা পাড়ায় এক আজীমুশশান নুরানী যিকরে মোস্তফা (দ.) ও যিকরে গাউছুল আজম (ক.) মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাহফিলটি অনুষ্ঠিত হয় গত ৬ই মাঘ ১৪৩২ বাংলা, ৩০ই রজব ১৪৪৭ হিজরি, ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ইং (মঙ্গলবার)।
মাহফিলে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দরবার শরীফের মহান সাজ্জাদানশীন, বাংলাদেশ তরীকত পরিষদ (বিটিপি)-এর প্রেসিডিয়াম সদস্য, সুলতানুল আরেফীন ক্যাডেট মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা রাহনুমায়ে শরীয়ত ও পীরে তরীকত হযরতুল আল্লামা ছূফি ছৈয়দ জাফর ছাদেক শাহ (মা.)।
বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দরবার শরীফের আওলাদে পাক ও রাহে ভান্ডার সিলসিলার খলিফা ছূফি ছৈয়দ মশিউর রহমান রাহাত শাহ (মা.)।
প্রধান মেহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আল্লাহ পাক মানুষকে পাঠিয়েছেন তাঁর পরিচয় জানার জন্য, তাঁকে পাওয়ার জন্য এবং তাঁর আনুগত্য করার জন্য। নবীজি (দ.)-এর ভালোবাসা ও আনুগত্যের মাধ্যমেই আল্লাহকে পাওয়া সম্ভব।”
তিনি আরও বলেন, মেরাজ রজনীতে একমাত্র হযরত মুহাম্মদ (দ.)-এর সাথেই আল্লাহ পাকের সরাসরি সাক্ষাৎ হয়েছে এবং সেই মেরাজের নেয়ামত নামাজের মাধ্যমে উম্মতের জন্য উন্মুক্ত। এজন্য আল্লাহ ও রাসূল (দ.)-এর পরিচয় জানা এবং কামেল মুর্শিদের দীক্ষা গ্রহণ করা অপরিহার্য।
বক্তারা বলেন, আমরা ঈসা (আ.)-এর উম্মত নই, আমরা মুহাম্মদ (দ.)-এর উম্মত। তাই সত্যকে জানতে ও উপলব্ধি করতে একজন কামেল মুর্শিদের শরণাপন্ন হওয়া প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পেকুয়ার আশেক ভক্তবৃন্দের আয়োজনে অনুষ্ঠিত মাহফিলে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-আলহাজ্ব হোসেন সওদাগর জামে মসজিদের খতিব হযরতুল আল্লামা মাওলানা মোহাম্মদ আবুল কাশেম (মা.), মৌলানা মুফতি তানভীরুল ইসলাম (মা.), ভাইস-প্রিন্সিপাল, সুলতানুল আরেফীন ক্যাডেট মাদ্রাসা, হযরতুল আল্লামা মুফতি মৌলানা ফখরুদ্দিন চাঁদপুরী (মা.), সাংবাদিক ও মুদ্দাররিস মুফতি মৌলানা মুহাম্মদ হায়দার আলী (এম.এ), হাফেজ মৌলানা মুহাম্মদ ফোরকান উদ্দিন কাদেরী (মা.), গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ পেকুয়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আলী আজম।
এছাড়া চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত চট্টগ্রাম দরবার শরীফের আশেক ভক্ত ও ওলি-আউলিয়ার অনুরক্তগণ মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।