
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও উৎসবমুখর পরিবেশে রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে প্রচারণা তুঙ্গে। প্রতীক বরাদ্দের পর ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নামেছেন, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
এই আসনে বহুমাত্রিক লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বিএনপি মনোনীত অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল 'ধানের শীষ' প্রতীক নিয়ে জয়ের আশাবাদী। তিনি বলেন, জনগণ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের স্বার্থে ধানের শীষকেই বেছে নেবে। প্রতিটি গ্রামে আমরা ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি এবং সুষ্ঠু ভোট হলে জয় আমাদের নিশ্চিত।
জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মাওলানা মনজুর রহমান 'দাঁড়িপাল্লা' প্রতীক নিয়ে মাঠে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা ইনসাফ ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে নির্বাচনে নেমেছি। সাধারণ ভোটাররা সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব চায়; ইনশাআল্লাহ এবার দাঁড়িপাল্লাই হবে মানুষের প্রথম পছন্দ।
তবে বিএনপির জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছেন দলের দুই বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী। 'ঘোড়া' প্রতীকের ইসফা খায়রুল হক শিমুল ও 'ফুটবল' প্রতীকের ব্যারিস্টার রেজাউল করিম নির্বাচনী প্রচারণায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। শিমুল বলেন, "দল আমাকে বহিষ্কার করলেও ভোটাররা আমার পাশে রয়েছেন। রেজাউল করিম বলেন, "আমি শিক্ষিত ও আধুনিক নেতৃত্ব দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে আছি এবং কোনো ষড়যন্ত্র আমাকে দমাতে পারবে না।
নির্বাচনী এলাকা সরগরম হলেও প্রশাসন শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। রাজশাহী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীসহ পর্যাপ্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করছি। কোনো প্রকার আচরণবিধি লঙ্ঘন বরদাশত করা হবে না।
ভোটগ্রহণ নির্ধারিত ১২ ফেব্রুয়ারি, যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, সেই দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।