যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনা হ্রাস বা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছেন ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। অন্তত দুটি মধ্যস্থতাকারী দেশের মাধ্যমে এই প্রস্তাব তেহরানে পাঠানো হয়।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) একজন ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তার বরাতে এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতার প্রথম বৈদেশিক নীতি বিষয়ক অধিবেশনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার বিষয়ে খামেনির অবস্থান ছিল ‘অত্যন্ত কঠোর এবং গুরুতর’। তবে তিনি ওই সময় সশরীরে উপস্থিত ছিলেন কি না, তা তিনি স্পষ্ট করেননি।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, সর্বোচ্চ নেতা জানিয়েছেন, যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল নতি স্বীকার করে, পরাজয় মেনে নেয় এবং ক্ষতিপূরণ প্রদান করে, ততক্ষণ শান্তি আলোচনা হবে না।
এদিকে ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েলে কাৎজ। তবে এ দাবি উড়িয়ে দিয়ে ইরানি গণমাধ্যম দাবি করেছে, লারিজানি মারা যাননি। শিগগিরই তিনি বার্তা দেবেন।
এছাড়াও ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) আধা-সামরিক বিাহিনীর বাসিজ ফোর্সের প্রধান গোলাম সোলেইমানি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।
এক বিবৃতিতে আইডিএফ জানিয়েছে, সোমবার (১৬ মার্চ) রাতে এক হামলায় সোলেইমানি ছাড়াও ফোর্সটির ডেপুটি কমান্ডার ও অন্য শীর্ষ নেতারা নিহত হয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাসিজ ফোর্সের স্থাপিত একটি তাঁবুতে সোলেইমানিক লক্ষ্যবস্তু করা হয়। মূলত সাম্প্রতিক আধা-সামরিক বাহিনীটির কয়েকটি সামরিক দপ্তরে হামলা পরবর্তী এই তাঁবুগুলো স্থাপন করা হয়।