
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অমান্য করে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বহরা ইউনিয়নে একই ইউনিয়নে একাধিক নির্বাচনী অফিস পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে নির্বাচন আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন দাবি করে উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট।
অভিযোগে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা অনুযায়ী একটি ইউনিয়নে কেবল একটি নির্বাচনী অফিস পরিচালনার অনুমতি রয়েছে। কিন্তু বহরা ইউনিয়নের মনতলা বাজার এলাকায় রেললাইনের পশ্চিম পাশে সোহাগ মিয়ার তেলের দোকানের নিকটে বহরা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীন মিয়ার একটি নির্বাচনী অফিস এবং একই ইউনিয়নের মধ্য বাজারে বাবু মিয়ার দোকানঘরে বিএনপির সভাপতি শাহীন আলম রিপনের আরেকটি নির্বাচনী অফিস একযোগে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, একই ইউনিয়নে একাধিক নির্বাচনী অফিস পরিচালনার ফলে নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে এবং প্রার্থীদের মধ্যে সমান সুযোগের নীতির ব্যত্যয় ঘটছে, যা নির্বাচন আচরণবিধির পরিপন্থী।
বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চুনারুঘাট উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম তালুকদার দুলাল মাধবপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার বরাবর দাখিল করা লিখিত অভিযোগে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর ক্ষেত্রে শায়েস্তাগঞ্জে একই ইউনিয়নে দুটি নির্বাচনী অফিস থাকায় প্রশাসনের নির্দেশে একটি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচারের অভিযোগও তোলা হয়েছে। অথচ বহরা ইউনিয়নে বিএনপির একাধিক নির্বাচনী অফিস এখনো চালু থাকায় এলাকায় সমালোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
এতে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের দ্বিমুখী আচরণ নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ বিন কাশেম বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।