পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি কাটিয়ে পরদিনই ঢাকা ফিরতে শুরু করেছেন অনেকে। তবে ঈদের আগে ঘরমুখো মানুষের যে ভিড় ও ভোগান্তি ছিল, ফেরার পথে তা ছিল না বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা। আবার কেউ কেউ দ্বিতীয় দিনও পরিবারের সঙ্গে ঈদ পরবর্তী সময় উদযাপনে গ্রামের বাড়ি ছুটছেন।
রোববার (২২মার্চ) কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে এমন চিত্র দেখা গেছে।
অন্যদিকে ঈদের দ্বিতীয় দিনেও কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের চাপ ছিল। স্টেশনে প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে শত শত মানুষ ট্রেনের জন্য অপেক্ষারত।
বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে নোয়াখালী থেকে যাত্রী নিয়ে কমলাপুরে ফিরেছে উপকূল এক্সপ্রেস। এ ট্রেনে অন্তত এক হাজার যাত্রী কমলাপুরে নামেন। অনেকে ট্রেনের ছাদে করেও এসেছেন।
নোয়াখালীতে পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটিয়ে ঢাকায় ফিরেন মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বনানীতে একটি অফিসের চাকরি করেন। তিনি জানান, গত ১৭ মার্চ ছুটিতে গ্রামে যান। সোমবার (২৩ মার্চ) তার অফিস খোলা। এজন্য পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করেই ঢাকা ফিরেছেন।
তিনি আরও জানান, ঢাকা থেকে বাসেও নোয়াখালী যাতায়াত করা যায়। তবে নির্বিঘ্নে যাতায়াতে ট্রেন সেবা সবচেয়ে ভালো। প্রতিবারই ট্রেনে নোয়াখালী যান।
একই ট্রেনে ঢাকায় ফিরেছেন শাহজালাল। তিনিও জানান, পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে এক সপ্তাহ আগেই ছুটি নিয়ে গ্রামে যায়। পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করে খুবই ভালো লাগছে। এখন জীবিকার তাগিদে ঢাকায় ফিরতে হয়েছে।
জামালপুরের তারাকান্দির উদ্দেশ্যে বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে যায় যমুনা এক্সপ্রেস। এ ট্রেনের প্রতিটি বগিতে যাত্রী পরিপূর্ণ দেখা গেছে।
এ ট্রেনে সপরিবারে জামালপুর যাচ্ছেন তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ঈদের আগে গ্রামে যাওয়ার জন্য ট্রেনের টিকিট পায়নি। তাই ঢাকায় ঈদ করেছি। আজ পরিবারের সঙ্গে ঈদ পরবর্তী সময় উদযাপনে গ্রামে যাচ্ছি।
তরিকুল বলেন, ঈদের আগে ট্রেনের টিকিটের জন্য যুদ্ধ করা লাগে। খুব সহজে তা পাওয়া যায় না। এ কারণে নির্বিঘ্নে যাতায়াতে ঈদের পরই ভ্রমণ একমাত্র সমাধান।