সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে নোয়াহ গাড়িতে পাচারের সময় র্যাব-৯ এর অভিযানে দুইজনকে আটক করা হয়
শায়েস্তাগঞ্জে র্যাবের অভিযানে ৯৪ হাজার শলাকা বিদেশি সিগারেট উদ্ধার

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে র্যাব-৯ এর অভিযানে আমদানি নিষিদ্ধ বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেটসহ দুই চোরাকারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে মোট ৯৪ হাজার শলাকা বিদেশি সিগারেট।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মাদক ও চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৯, সিপিসি-৩, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ দুপুর আনুমানিক ১টা ২৫ মিনিটে সিলেট থেকে ঢাকাগামী একটি নোয়াহ যাত্রীবাহী গাড়িতে করে বিদেশি সিগারেট পাচারের তথ্য পায় র্যাব। পরে হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ থানাধীন সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ব্রাহ্মণডোরা এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি শুরু করা হয়।
এ সময় সন্দেহভাজন নোয়াহ গাড়িটিকে থামানোর সংকেত দিলে গাড়িটি থামে। গাড়িতে থাকা দুই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র্যাব সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে তাদের আটক করে। পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদে তারা গাড়িতে আমদানি নিষিদ্ধ বিদেশি সিগারেট থাকার কথা স্বীকার করেন।
গাড়িটি তল্লাশি করে খাকি রঙের তিনটি কার্টুন ও একটি ট্রলি ব্যাগ থেকে মোট ৯৪ হাজার শলাকা বিদেশি সিগারেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার পরনিখলা গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে মোশারফ হোসেন (২৬), ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শরাইল ইপজেলার আকিতারা গ্রামের মৃত ফারুক আহমেদের ছেলে তানভীর আহমেদ শামীম (৪২)।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছেন, সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে এসব বিদেশি সিগারেট সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বহন করছিলেন।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে তাদের এবং জব্দকৃত আলামত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯ জানিয়েছে, মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে গোয়েন্দা নজরদারি ও এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

























