ঢাকা ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খুলনার দৌলতপুরে পারভেজ ও সুপর্না হত্যা মামলার রায় রোববার

মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা::

ছবি: সংগৃহীত

55

খুলনার দৌলতপুর পাবলার আলোচিত পারভেজ হাওলাদার ও সুপর্না সাহা হত্যা মামলার রায় আগামী রোববার ঘোষণা করা হবে। আদালত সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

২০০৯ সালের ৩ জানুয়ারি রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে দেয়ানা সবুজ সংঘ মাঠের কাছে সাহাপাড়ায় সন্ত্রাসীরা গুলি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে পারভেজ হাওলাদারকে।

এসময় তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন সুপর্না সাহা, তার বাবা দিলিপ সাহা ও মা রেখা সাহা। তখন সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে সুপর্না গুরুতর আহত হন এবং খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পরদিন, ৪ জানুয়ারি পারভেজের বাবা নিজামউদ্দিন বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, তৎকালীন পুলিশের বড় কর্তা শহিদুল ইসলাম রবির ছেলে মিথুন বিকাল বেলা বাড়ি থেকে পারভেজকে ডেকে নিয়ে যান। পরে মিথুনসহ মোট সাতজন মিলে হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত করে বলে অভিযোগ আনা হয়।

একই সাতজনের বিরুদ্ধে পুলিশ চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি শেষে খুলনা মহানগর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত আগামী রোববার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন। এ মামলার বিচারক সমি আহমেদ।

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ০৫:৪২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
৬০৭ বার পড়া হয়েছে

খুলনার দৌলতপুরে পারভেজ ও সুপর্না হত্যা মামলার রায় রোববার

আপডেট সময় ০৫:৪২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫
55

খুলনার দৌলতপুর পাবলার আলোচিত পারভেজ হাওলাদার ও সুপর্না সাহা হত্যা মামলার রায় আগামী রোববার ঘোষণা করা হবে। আদালত সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

২০০৯ সালের ৩ জানুয়ারি রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে দেয়ানা সবুজ সংঘ মাঠের কাছে সাহাপাড়ায় সন্ত্রাসীরা গুলি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে পারভেজ হাওলাদারকে।

এসময় তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন সুপর্না সাহা, তার বাবা দিলিপ সাহা ও মা রেখা সাহা। তখন সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে সুপর্না গুরুতর আহত হন এবং খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পরদিন, ৪ জানুয়ারি পারভেজের বাবা নিজামউদ্দিন বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, তৎকালীন পুলিশের বড় কর্তা শহিদুল ইসলাম রবির ছেলে মিথুন বিকাল বেলা বাড়ি থেকে পারভেজকে ডেকে নিয়ে যান। পরে মিথুনসহ মোট সাতজন মিলে হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত করে বলে অভিযোগ আনা হয়।

একই সাতজনের বিরুদ্ধে পুলিশ চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি শেষে খুলনা মহানগর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত আগামী রোববার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন। এ মামলার বিচারক সমি আহমেদ।